![]()
ইবি রিপোর্ট
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিন থেকেই মুঠোফোনে ফল জানার পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন। আগের বছরগুলোতে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা গেলেও এবার শিক্ষার্থীদের বার্তা পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ফল প্রকাশের পর আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে ফল জানার বিভিন্ন মাধ্যম ও এসএমএস পাঠানোর নিয়ম জানানো হয়েছে।
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে। এদিন সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা অনলাইন, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড কিংবা সংবাদপত্রের কার্যালয় থেকে সরাসরি ফল সংগ্রহের কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি।
এবার ফল জানার এসএমএস নম্বরে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগের বছরগুলোতে ১৬২২২ নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে ফল জানা যেত। তবে চলতি বছর থেকে শিক্ষার্থীদের ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।
ফল জানতে মুঠোফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে ইংরেজিতে HSC লিখতে হবে। এরপর একটি স্পেস দিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর লিখতে হবে। আবার স্পেস দিয়ে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর এবং সবশেষে পরীক্ষার বছর উল্লেখ করে বার্তাটি পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে।
উদাহরণ হিসেবে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে লিখতে হবে: HSC DHA 123456 2026। অর্থাৎ, এখানে HSC-এর পর ঢাকা বোর্ডের সংক্ষিপ্ত নাম, রোল নম্বর এবং পরীক্ষার বছর দিতে হবে।
এসএমএস ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত ফলাফল জানা যাবে। এ জন্য পরীক্ষার্থীদের educationboardresults.gov.bd অথবা eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব ইআইআইএন (EIIN) ব্যবহার করে অনলাইনে পরীক্ষার্থীদের ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে। পরে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ফল প্রকাশ করতে পারবে।
এ বছর নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। গত ২ জুলাই পরীক্ষা শুরু হয়েছিল।
লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করা হয়। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
পাঠকের মন্তব্য