<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>Entrepreneur Bangladesh</title>
	<link>https://www.entrepreneurbd.com</link>
	<description></description>
	<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 17:34:01 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=18.3</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>আইন বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ: প্রাসঙ্গিক ভাবনা ( ২য় পর্ব )</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19026</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19026#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 13:16:09 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Nabil</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[মতামত]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19026</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-58-thumbnail.png" alt="" /></span>
ড. মোঃ আশফাকুল ইসলাম বাবুল
সিরিজ: ২য় পর্ব
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা
সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, কারও অধিকার অক্ষুণ্ন রাখাসহ সুষ্ঠু জীবনযাপনে কোনো জটিলতা থাকলে তা সমাধানের জন্যই বিভিন্ন বিধি-নিষেধ বা আইন। এ আইন প্রণয়নকালে এর প্রয়োগ বা বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। আইন বাস্তবায়নে এর মূল প্রশাসনিক ইউনিট কারা হবে, তারা কীভাবে এ আইন প্রয়োগ করবে তারও একটা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-58-thumbnail.png" alt="---" /></p>
<p>ড. মোঃ আশফাকুল ইসলাম বাবুল</p>
<p>সিরিজ: ২য় পর্ব</p>
<p><strong>আইন প্রয়োগকারী সংস্থা</strong></p>
<p><strong>সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, কারও অধিকার অক্ষুণ্ন রাখাসহ সুষ্ঠু জীবনযাপনে কোনো জটিলতা থাকলে তা সমাধানের জন্যই বিভিন্ন বিধি-নিষেধ বা আইন। এ আইন প্রণয়নকালে এর প্রয়োগ বা বাস্তবায়নের রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। আইন বাস্তবায়নে এর মূল প্রশাসনিক ইউনিট কারা হবে, তারা কীভাবে এ আইন প্রয়োগ করবে তারও একটা নির্দেশনা প্রথম থেকেই থাকবে।</strong></p>
<p>আইন প্রণয়নের পর এর প্রয়োগ বা বাস্তবায়নে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যথাযথ আইন থাকার পরও সময়মতো তা সুষ্ঠু প্রয়োগে ব্যর্থ হলে সমাজে বিশৃঙ্খলা এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আইন বাস্তবায়নে ক্ষেত্রমতে তাৎক্ষণিক বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা নিতে হয়।</p>
<p>যেমন চুরি, মারামারি, টেন্ডারবাজির মতো অপরাধ দূরীকরণে আইনের তাৎক্ষণিক প্রয়োগের প্রয়োজন, যার ফলে সমাজে এ ধরনের অপরাধ ও অরাজকতা বৃদ্ধি রোধ করা যায়। আবার বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে, যা মানুষের ক্রমাগত কার্যকলাপ, যেমন বৃহৎ আকারে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বন বা পাহাড় কাটা, পানি, বায়ু ও শব্দ দূষণ প্রভৃতির কারণে সৃষ্টি হয় এবং যা একসময় গোটা বিশ্বকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়। পরিবেশের এ বিপর্যয় রক্ষার জন্য এ বিষয়ে প্রণীত আইন বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজন পড়ে।</p>
<p>আইন বাস্তবায়ন, তাৎক্ষণিক হোক বা দীর্ঘমেয়াদি হোক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বৈশিষ্ট্য বর্ণনায় প্রথম যে প্রশ্ন আসে তা হলো: আইন প্রয়োগে সদিচ্ছা আছে কি না? শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থাই নয়, বরং আইন বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকাও অত্যন্ত জরুরি। আসলে কোনো কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। রাজনৈতিক সদিচ্ছাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আইন বাস্তবায়নের সদিচ্ছাকে প্রভাবিত করে।</p>
<p>আইন তো জনউন্নয়নের স্বার্থে; তা যদি কোনো জনগোষ্ঠীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বা কোনো উন্নয়নের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয় বলে ধারণা করা যায়, তাহলে তা বাস্তবায়নে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে আমরা দেখি, সারাদেশে একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভূমিহীন বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে পাকাঘর বানিয়ে দিতে যে কর্মকাণ্ড গ্রহণ করা হয়েছে, তা সম্পন্নের জন্য দেশের প্রচলিত ইট পোড়ানোকে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা যায়নি। এভাবে প্রচলিত আইন প্রয়োগে ধীরে চলো নীতি জনকল্যাণের স্বার্থে হতে পারে। তবে সদিচ্ছার এই সাধারণ উদাহরণকে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না।</p>
<p>আইন প্রয়োগ বা বাস্তবায়নে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে হবে। সদিচ্ছার অভাব কিংবা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থার আইন বাস্তবায়ন করা দুরূহ হয়ে পড়ে।</p>
<p>আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দক্ষতা এখন একটা বড় প্রশ্ন: সঠিক সময়ে নিয়মমতো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার আইন প্রয়োগ বা বাস্তবায়নে দক্ষতার অভাব আছে কি না? সমাজে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হয়। ছোটখাটো চুরি থেকে মারামারি, খুন, রাহাজানি, ছিনতাই, ডাকাতি, জালিয়াতি, আবার মানব পাচার, সাইবার ক্রাইম, মানি লন্ডারিংয়ের মতো অপরাধ বিভিন্ন মাত্রায় সংঘটিত হতে দেখা যায়।</p>
<p>সমাজে বিভিন্ন পর্যায়ে অপরাধীরা সুচতুরভাবে অপরাধকাজে নিয়োজিত থাকে। তারা সরকারের পাশাপাশি উন্নত সরঞ্জাম ও আধুনিক প্রযুক্তিও ব্যবহার করে থাকে। তাই এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য আইন প্রয়োগে দক্ষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রয়োজন। ক্ষেত্রবিশেষে বিশেষায়িত জনবল এবং উন্নত যন্ত্র ও প্রযুক্তি না থাকলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।</p>
<p>সমাজে খুন, জখমসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মতো অপরাধ অতি সহজেই সকলের নজরে পড়ে, মিডিয়াতে ফলাও করে প্রকাশ হয়। তাই এ বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকবল স্বভাবতই তৎপর থাকতে দেখা যায়। কিন্তু যেসব অপরাধ সচরাচর লোকচক্ষুর আড়ালে ঘটে, যেমন দীর্ঘদিন ধরে গাছ কেটে বন উজাড় করা কিংবা অগোচরে শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিষাক্ত বর্জ্য নদীতে ফেলা, সেসব ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা স্বভাবতই বেশি একটা নজর দিতে পারে না; দক্ষ জনবল না থাকার কারণে এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ বা দমনে ব্যর্থ হয়।</p>
<p>অপরাধ ছোট বা বড় যেমনই হোক এবং এসব অপরাধের কুফল দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান হোক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, তার জনবল ও তার প্রযুক্তিগত ব্যবহারের মাধ্যমে আইন প্রয়োগ বা বাস্তবায়নে দক্ষ কি না তা পরীক্ষা করে নেওয়া দরকার।</p>
<p>(চলবে&#8230;)</p>
<p><strong>লেখক:</strong></p>
<p><strong>এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, সেন্টার ফর স্ট্রাটিজিক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ </strong></p>
<p><strong>সাবেক অতিরিক্ত সচিব। </strong></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19026/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যু</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19024</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19024#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 12:23:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator>zisan</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19024</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-54-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
&#160;
ইবি রিপোর্ট
দেশজুড়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯৯৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসব রোগী ভর্তি ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ডেঙ্গু ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-54-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p class="isSelectedEnd">&nbsp;</p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>ইবি রিপোর্ট</strong></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>দেশজুড়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯৯৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসব রোগী ভর্তি ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।</strong></p>
<p class="isSelectedEnd">মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ডেঙ্গু পরিস্থিতির সর্বশেষ এই তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দিনে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৮৬১ জন ঢাকা বিভাগের। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন, চট্টগ্রামে ২৪২ জন, খুলনায় ৩০২ জন, রাজশাহীতে ১৯৯ জন, রংপুরে ৭৫ জন, বরিশালে ২০৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।</p>
<p class="isSelectedEnd">অর্থাৎ, দেশের আট বিভাগের প্রতিটিতেই গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে নতুন রোগীর সংখ্যা অন্য বিভাগগুলোর তুলনায় বেশি। খুলনা ও চট্টগ্রামেও এক দিনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।</p>
<h3></h3>
<p class="isSelectedEnd">স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত হিসাব বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে মোট ৯০ হাজার ৩৫৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সংক্রমণে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।</p>
<p class="isSelectedEnd">তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৮৪ হাজার ২৯৯ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫ হাজার ৭৭৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।</p>
<p class="isSelectedEnd">ফলে একদিকে নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন, অন্যদিকে সুস্থ হয়ে অনেকেই ছাড়পত্র পাচ্ছেন। তবে একই সময়ে মৃত্যুর ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮১ জনে দাঁড়িয়েছে।</p>
<h3></h3>
<p class="isSelectedEnd">গত ২৪ ঘণ্টার হিসাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যায় ঢাকা বিভাগ সবার ওপরে রয়েছে। এই বিভাগে ৮৬১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরপর খুলনায় ৩০২ জন এবং চট্টগ্রামে ২৪২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।</p>
<p class="isSelectedEnd">রাজশাহী বিভাগে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৯৯ জন। বরিশালে এ সংখ্যা ২০৩ জন। ময়মনসিংহে ৯৬ জন এবং রংপুরে ৭৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সবচেয়ে কম ১৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন সিলেট বিভাগে।</p>
<p class="isSelectedEnd">স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাবে, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫ হাজার ৭৭৬ জন রোগীর মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ রয়েছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ৯০ হাজার ৩৫৬ জন। এর মধ্যে ৮৪ হাজার ২৯৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।</p>
<p>গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য যুক্ত হওয়ায় চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৮১ জনে পৌঁছেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19024/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সিন্ডিকেটমুক্ত বাজার গড়তে কাজ করছে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19022</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19022#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:50:27 +0000</pubDate>
		<dc:creator>zisan</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19022</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-53-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
&#160;
ইবি রিপোর্ট
খাদ্যপণ্যের বাজারে সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব না রাখার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, বাজারে সিন্ডিকেট থাকলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি দূর করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি খাদ্য সংরক্ষণাগার ও স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-53-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p class="isSelectedEnd">&nbsp;</p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>ইবি রিপোর্ট</strong></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>খাদ্যপণ্যের বাজারে সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব না রাখার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেছেন, বাজারে সিন্ডিকেট থাকলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি দূর করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</strong></p>
<p class="isSelectedEnd">মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সরকারি খাদ্য সংরক্ষণাগার ও স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।</p>
<p class="isSelectedEnd">সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে আফরোজা খানম বলেন, ‘সিন্ডিকেট কোনও সরকারই পছন্দ করে না। আমরাও চাই, সিন্ডিকেট বলে যেন কোনও শব্দই না থাকে। সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’</p>
<p class="isSelectedEnd">খাদ্যমন্ত্রী জানান, দেশের খাদ্য মজুত বর্তমানে ভালো পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে বাজার মূল্য নিয়েও এখন পর্যন্ত বড় কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি। খাদ্য মজুতের পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকায় সরবরাহ ব্যবস্থাও পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হচ্ছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">তিনি বলেন, ‘বাজার মূল্য নিয়ে এখন পর্যন্ত সেরকম কোনও সমস্যা হয়নি। আমাদের খাদ্য মজুতও ভালো আছে।’</p>
<p class="isSelectedEnd">জনগণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন আফরোজা খানম। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী মন্ত্রণালয় সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।</p>
<p class="isSelectedEnd">এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়া। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য মন্ত্রণালয় সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।’</p>
<p class="isSelectedEnd">এ সময় পুষ্টিকর চাল উৎপাদনের প্রকল্প কবে চালু হবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নেরও জবাব দেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রকল্পটির উদ্বোধন বা চালুর বিষয়ে এখনই নির্দিষ্ট সময় বলা সম্ভব হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পটি চালুর চেষ্টা করা হবে।</p>
<p class="isSelectedEnd">আফরোজা খানম বলেন, ‘এ মুহূর্তে নির্দিষ্ট সময় বলতে পারছি না। আমরা আজ এখানে এসেছি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পটি চালুর চেষ্টা করা হবে।’</p>
<p class="isSelectedEnd">সিদ্ধিরগঞ্জে পরিদর্শনের সময় খাদ্য সংরক্ষণাগার ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনার সার্বিক পরিস্থিতি দেখেন খাদ্যমন্ত্রী। এ সময় খাদ্য মজুতের অবস্থা এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।</p>
<p class="isSelectedEnd">সরকারের পক্ষ থেকে খাদ্য মজুত ভালো রাখার পাশাপাশি বাজার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। একই সঙ্গে জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p class="isSelectedEnd">পরিদর্শনকালে খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় খাদ্যমন্ত্রী আবারও বাজারে সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব না রাখার সরকারের অবস্থানের কথা জানান। পাশাপাশি খাদ্য মজুত পরিস্থিতি ভালো থাকার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। পুষ্টিকর চাল উৎপাদনের প্রকল্পটি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান আফরোজা খানম।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19022/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সাংবাদিকদের হামলা বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা চায় সম্পাদক পরিষদ</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19020</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19020#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:38:13 +0000</pubDate>
		<dc:creator>zisan</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19020</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-52-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
&#160;
ইবি রিপোর্ট
দেশের বিভিন্ন স্থানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হামলা, হুমকি, হয়রানি ও বাধার মুখে পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ। সংগঠনটি এসব ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপদে কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
মঙ্গলবার সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-52-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p class="isSelectedEnd">&nbsp;</p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>ইবি রিপোর্ট</strong></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>দেশের বিভিন্ন স্থানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের হামলা, হুমকি, হয়রানি ও বাধার মুখে পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ। সংগঠনটি এসব ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপদে কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।</strong></p>
<p class="isSelectedEnd">মঙ্গলবার সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।</p>
<p class="isSelectedEnd">বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকরা হামলার শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বশেষ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনাটি উদ্বেগ তৈরি করেছে। ৪ অক্টোবরের ওই ঘটনায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সম্পাদক পরিষদের ভাষ্য অনুযায়ী, সাংবাদিকরা কোনো পক্ষের হয়ে নয়, জনস্বার্থে তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ পরিবেশনের দায়িত্ব পালন করছিলেন।</p>
<p class="isSelectedEnd">সংগঠনটি বলেছে, কোনো সংবাদ, মতামত কিংবা সাংবাদিকের পেশাগত কর্মকাণ্ড নিয়ে কারও মতবিরোধ থাকতে পারে। তবে এ কারণে হামলা, হুমকি দেওয়া বা দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা কেবল ব্যক্তির ওপর আক্রমণ নয়; এর মাধ্যমে স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের জানার অধিকারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।</p>
<p class="isSelectedEnd">রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় মামলা ও তদন্তের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। একই সঙ্গে সংগঠনটি বলেছে, তদন্ত হতে হবে নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য ও প্রমাণভিত্তিক। হামলায় জড়িতদের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে আইনের আওতায় আনারও দাবি জানানো হয়েছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">সাম্প্রতিক হামলা, হুমকি ও হয়রানির সব ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। পাশাপাশি জড়িতদের পরিচয় ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নির্বিশেষে আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">সংগঠনটির অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক কর্মসূচি, বিশ্ববিদ্যালয়, আদালত, প্রশাসনিক কার্যালয় ও জনসমাগমস্থলে সাংবাদিকদের নিরাপদে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে পেশাগত কাজে বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">রাজনৈতিক দল ও তাদের অঙ্গসংগঠনসহ সব পক্ষকে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।</p>
<p class="isSelectedEnd">বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়। একটি মুক্ত, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক সমাজে এটি প্রয়োজনীয় শর্ত। ভয়, হুমকি ও সহিংসতার পরিবেশে স্বাধীন সাংবাদিকতা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।</p>
<p>এ কারণে সাংবাদিকদের ওপর প্রতিটি হামলার ঘটনায় দ্রুত ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। এ বিষয়ে সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক দল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19020/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>শিশুদের প্রতিভা বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদার</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19018</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19018#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:11:31 +0000</pubDate>
		<dc:creator>zisan</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19018</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-51-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
&#160;
ইবি রিপোর্ট
শিশুদের জন্য নিরাপদ শৈশব ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের লুকিয়ে থাকা প্রতিভা বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান। তাঁর মতে, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সেই সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ তৈরি করা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-51-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p class="isSelectedEnd">&nbsp;</p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>ইবি রিপোর্ট</strong></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>শিশুদের জন্য নিরাপদ শৈশব ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের লুকিয়ে থাকা প্রতিভা বিকাশে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান। তাঁর মতে, প্রতিটি শিশুর মধ্যেই সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সেই সম্ভাবনাকে বিকশিত করার সুযোগ তৈরি করা।</strong></p>
<p class="isSelectedEnd">মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p class="isSelectedEnd">ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অপার সম্ভাবনা ও প্রতিভা লুকিয়ে আছে। সেই প্রতিভা বিকশিত করতে শিশুদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা গেলে নতুন উদ্যমে শিশুরা নিজেদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সফল হবে।</p>
<p class="isSelectedEnd">বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি। ডা. জুবাইদা বলেন, আজ থেকে ৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি গত পাঁচ দশক ধরে শিশুদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">শিশু একাডেমির কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির আঙিনায় ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে অগণিত শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশেও প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রেখে আসছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহণ করেন।</p>
<p class="isSelectedEnd">শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীর এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, নতুন উদ্যোগ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সব শিশুর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। আগামী দিনেও প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের একটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>
<p class="isSelectedEnd">শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘স্নেহের ছোট্ট বন্ধুরা, সকল বাধা-বিপত্তি ছিন্ন করে তোমরা প্রস্ফুটিত হবে। আশা-আকাঙ্ক্ষার সার্থকতার আলোকরশ্মি দু’হাতে বরণ করবে।’</p>
<p class="isSelectedEnd">তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক শিশুর মাঝেই অপার সম্ভাবনা ঘুমিয়ে আছে। সেই প্রতিভা প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। নতুন উদ্যম ও নতুন উদ্যোগে শিশুরা ইনশাআল্লাহ সফল হবে।</p>
<p class="isSelectedEnd">অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ শিশু তাদের স্বাগত জানায়। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে তারা শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র গ্যালারি পরিদর্শন করেন।</p>
<p>ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘প্রতিটি শৈশব হোক নিরাপদ, প্রতিটি শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত-এই আমাদের কামনা।’</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19018/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ষষ্ঠ শ্রেণিতে আনন্দময় শিক্ষা ও কারিগরি বিষয় চালু</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19016</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19016#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 11:05:33 +0000</pubDate>
		<dc:creator>zisan</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[শিক্ষা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19016</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-50-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
&#160;
ইবি রিপোর্ট
শিক্ষার্থীদের প্রচলিত পড়াশোনার পাশাপাশি আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি জ্ঞান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রমে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। একই সঙ্গে ২০২৮ সাল থেকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে শিক্ষা কার্যক্রমে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনার পরিকল্পনার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-50-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p class="isSelectedEnd">&nbsp;</p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>ইবি রিপোর্ট</strong></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>শিক্ষার্থীদের প্রচলিত পড়াশোনার পাশাপাশি আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি জ্ঞান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রমে চারটি নতুন বিষয় যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। একই সঙ্গে ২০২৮ সাল থেকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে শিক্ষা কার্যক্রমে পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।</strong></p>
<p class="isSelectedEnd">মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব তথ্য জানান।</p>
<p class="isSelectedEnd">নতুন চারটি বিষয় হলো—আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমকে এসব ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হবে। পাশাপাশি ২০২৮ সাল থেকে শিক্ষা কার্যক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন ও পরিমার্জন করা হবে।’</p>
<p class="isSelectedEnd">শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা কার্যক্রমে প্রয়োজনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী সময়ে আরও নতুন বই যুক্ত করা হবে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠ্যবই ও শিক্ষা কার্যক্রমে পরিবর্তন আনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">এদিকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘উচ্চমাধ্যমিকে আসন অনুপাতে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা কম রয়েছে। তাই এবার ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিড়ম্বনা দেখা দিয়েছে।’</p>
<p class="isSelectedEnd">এ ছাড়া নবাব ফয়জুন্নেসাকে পাঠ্যপুস্তকে যুক্ত করার বিষয়েও কাজ চলছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।</p>
<p class="isSelectedEnd">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস ও তেলের দাম অনেকাংশে বেড়েছে। তবে আশপাশের দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে ডিজেলের দাম এখনো অনেকটাই কম। অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে সর্বোচ্চ ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।’</p>
<p class="isSelectedEnd">মাহ্দী আমিন আরও বলেন, ‘সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বর্তমান সংকট বৈশ্বিক। জনগণের ওপর যতটা কম চাপ দিয়ে যৌক্তিকভাবে এ সমস্যার সমাধান করা যায়, সরকার সে লক্ষ্যেই কাজ করছে।<strong>’</strong></p>
<p class="isSelectedEnd">অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এবং কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। ৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেশের সবকটি শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।</p>
<p class="isSelectedEnd">এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহাদাত হোসাইন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মোহাম্মদ আক্কাস আলী, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।</p>
<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19016/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নিউট্রিনো গবেষণায় অবদানে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল ফ্রান্সিস হ্যালজেনের</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19014</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19014#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:40:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>zisan</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>

		<category><![CDATA[বিদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[বিশ্ব সংবাদ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19014</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-49-thumbnail.jpg" alt="" /></span>
&#160;
ইবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
দক্ষিণ মেরুর বরফের গভীরে মহাবিশ্বের রহস্যময় নিউট্রিনো কণা শনাক্তের গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি পেলেন বেলজিয়ান-আমেরিকান বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন। এ গবেষণার মাধ্যমে মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্তে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p class="isSelectedEnd"><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-49-thumbnail.jpg" alt="---" /></p>
<p class="isSelectedEnd">&nbsp;</p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>ইবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক</strong></p>
<p class="isSelectedEnd"><strong>দক্ষিণ মেরুর বরফের গভীরে মহাবিশ্বের রহস্যময় নিউট্রিনো কণা শনাক্তের গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি পেলেন বেলজিয়ান-আমেরিকান বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন। এ গবেষণার মাধ্যমে মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্তে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।</strong></p>
<p class="isSelectedEnd">মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। কমিটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব লাইভে পুরস্কার ঘোষণার অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।</p>
<p class="isSelectedEnd">ফ্রান্সিস হ্যালজেনের পুরস্কারপ্রাপ্তির পেছনে রয়েছে অ্যান্টার্কটিকার বরফে গড়ে ওঠা বিশ্বের বৃহৎ নিউট্রিনো গবেষণা অবকাঠামো ‘আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি’। এই পর্যবেক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলা এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্তে তার নেতৃত্ব ও অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েছে নোবেল কর্তৃপক্ষ।</p>
<p class="isSelectedEnd">নিউট্রিনো এমন এক ধরনের অতিক্ষুদ্র কণা, যা পদার্থের সঙ্গে খুব কমই взаимодейств করে। এ কারণে কণাটিকে শনাক্ত করা দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞানীদের জন্য কঠিন একটি গবেষণাক্ষেত্র। মহাবিশ্বের বিভিন্ন উৎস থেকে আসা নিউট্রিনো শনাক্তের মাধ্যমে দূরবর্তী মহাজাগতিক ঘটনাবলি সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">এই গবেষণায় দক্ষিণ মেরুর বরফকে কাজে লাগানো হয়েছে। বরফের গভীরে স্থাপন করা সেন্সরগুলোর মাধ্যমে নিউট্রিনোর সঙ্গে পদার্থের বিরল মিথস্ক্রিয়ার ফলে তৈরি আলোর সংকেত শনাক্ত করা হয়। এ পদ্ধতি ব্যবহার করে মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">আইসকিউব প্রকল্পের ধারণা নিয়ে হ্যালজেন কাজ শুরু করেন ১৯৮০-এর দশকে। পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বে এই পর্যবেক্ষণকেন্দ্র গড়ে ওঠে এবং ২০১০ সাল থেকে এর বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকল্পটি পরবর্তীতে উচ্চশক্তির মহাজাগতিক নিউট্রিনো শনাক্তের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে।</p>
<p class="isSelectedEnd">নোবেল কমিটির স্বীকৃতিতে মূলত দুটি বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে—আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি গড়ে তোলায় হ্যালজেনের অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কার। তার গবেষণা নিউট্রিনোকে ব্যবহার করে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণের নতুন একটি পথ তৈরি করেছে।</p>
<p class="isSelectedEnd">এ বছরের পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ফ্রান্সিস হ্যালজেনের দীর্ঘদিনের নিউট্রিনো গবেষণা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সর্বোচ্চ বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি পেল। দক্ষিণ মেরুর বরফের নিচে নির্মিত আইসকিউব অবজারভেটরিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত এই গবেষণা মহাজাগতিক উৎস ও উচ্চশক্তির কণা সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের জ্ঞান আরও বিস্তৃত করেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19014/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ওয়ান ব্যাংকের কার্ডধারীরা পাবেন ১৫ শতাংশ ছাড়</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19011</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19011#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:24:30 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Nabil</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19011</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-57-thumbnail.png" alt="" /></span>
ইবি রিপোর্ট
ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ও সামান ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের মধ্যে নতুন অংশীদারত্ব চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় ওয়ান ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডধারীরা সামান ইন্টারন্যাশনালের নির্দিষ্ট পণ্যে ১৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।
চুক্তির সুবিধার মধ্যে রয়েছে সামান ইন্টারন্যাশনালের হুন্দাই এক্সটিয়ার, অ্যাপোলো ও ভিডল লুব্রিকেন্ট। এসব পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ওয়ান ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করলে নির্ধারিত ১৫ শতাংশ মূল্যছাড় পাওয়া যাবে।
এ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-57-thumbnail.png" alt="---" /></p>
<p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 20px; padding: 0px; border-width: medium; border-style: none; border-color: currentcolor; border-image: none; outline: none; position: relative; line-height: 25px; font-family: SolaimanLipi, Arial, Helvetica, sans-serif; color: #333333; font-size: 20px"><span style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border-width: medium; border-style: none; border-color: currentcolor; border-image: none; outline: none; font-weight: 700">ইবি রিপোর্ট</span></p>
<p data-pm-slice="1 1 []"><strong>ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ও সামান ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের মধ্যে নতুন অংশীদারত্ব চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় ওয়ান ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডধারীরা সামান ইন্টারন্যাশনালের নির্দিষ্ট পণ্যে ১৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।</strong></p>
<p>চুক্তির সুবিধার মধ্যে রয়েছে সামান ইন্টারন্যাশনালের হুন্দাই এক্সটিয়ার, অ্যাপোলো ও ভিডল লুব্রিকেন্ট। এসব পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ওয়ান ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করলে নির্ধারিত ১৫ শতাংশ মূল্যছাড় পাওয়া যাবে।</p>
<p>এ ছাড়া নির্বাচিত পণ্যের ক্ষেত্রে ওয়ান ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য থাকছে ইএমআই সুবিধা। তিন থেকে ছয় মাস মেয়াদে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ইএমআই সুবিধা প্রযোজ্য শর্ত ও সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী দেওয়া হবে।</p>
<h3>দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি সই</h3>
<p>সম্প্রতি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ অংশীদারত্ব চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানে সামান ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আজাদ শামসি এবং ওয়ান ব্যাংকের কার্ডস বিজনেসের প্রধান সৈয়দ মারুফ আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সামান ইন্টারন্যাশনালের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিওও ও সিএফও আজম খান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও সিবিও মাসুদ পারভেজও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।</p>
<p>ওয়ান ব্যাংকের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ট্রানজ্যাকশন অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিংয়ের প্রধান ইফতেখার আহমেদ জাফর। এ ছাড়া বিজনেস এক্সিলেন্স বিভাগের প্রধান মো. মাহিনুর রহমানসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>ওয়ান ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন অংশীদারত্বের মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সহযোগিতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে কার্ডধারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও মূল্যছাড়ের সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগও এগিয়ে যাবে।</p>
<p>ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কার্ডধারীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সুবিধা বাড়ানোর ধারাবাহিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই সামান ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে এ চুক্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট পণ্য কেনাকাটায় কার্ডধারীরা মূল্যছাড়ের পাশাপাশি নির্বাচিত ক্ষেত্রে কিস্তি সুবিধাও পাবেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19011/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>মাল্টার আমদানি মূল্যের চেয়ে শুল্ক-কর বেশি</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19009</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19009#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:20:16 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Nabil</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19009</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-56-thumbnail.png" alt="" /></span>
ইবি রিপোর্ট
দেশে মাল্টা আমদানিতে পণ্যের মূল্যের তুলনায় শুল্ক-কর দিতে হচ্ছে বেশি। আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি মাল্টার দাম প্রায় ৮৭ টাকা হলেও এর বিপরীতে শুল্ক-কর দিতে হচ্ছে প্রায় ১০৭ টাকা। ফলে ফলটির আমদানিতে মোট শুল্ক-করভার দাঁড়িয়েছে ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের ট্যারিফ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, টেসলা বা মার্সিডিজ বেঞ্জসহ অন্তত ১৪৬টি এইচএস কোডভুক্ত গাড়ি আমদানিতেও ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-56-thumbnail.png" alt="---" /></p>
<p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 20px; padding: 0px; border-width: medium; border-style: none; border-color: currentcolor; border-image: none; outline: none; position: relative; line-height: 25px; font-family: SolaimanLipi, Arial, Helvetica, sans-serif; color: #333333; font-size: 20px"><span style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border-width: medium; border-style: none; border-color: currentcolor; border-image: none; outline: none; font-weight: 700">ইবি রিপোর্ট</span></p>
<p data-pm-slice="1 1 []"><strong>দেশে মাল্টা আমদানিতে পণ্যের মূল্যের তুলনায় শুল্ক-কর দিতে হচ্ছে বেশি। আমদানি পর্যায়ে প্রতি কেজি মাল্টার দাম প্রায় ৮৭ টাকা হলেও এর বিপরীতে শুল্ক-কর দিতে হচ্ছে প্রায় ১০৭ টাকা। ফলে ফলটির আমদানিতে মোট শুল্ক-করভার দাঁড়িয়েছে ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।</strong></p>
<p>চলতি অর্থবছরের ট্যারিফ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, টেসলা বা মার্সিডিজ বেঞ্জসহ অন্তত ১৪৬টি এইচএস কোডভুক্ত গাড়ি আমদানিতেও শুল্ক-করের হার মাল্টার চেয়ে কম। ফলে তাজা ফল আমদানিতে এমন উচ্চ করভার নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।</p>
<p>সম্প্রতি আমদানি কমে যাওয়ায় দেশের খুচরা বাজারে মাল্টার দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ৪৮০ থেকে ৫২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। পরে বাজারে সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি মাল্টা প্রায় ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আমদানি পর্যায়ের মূল্যের তুলনায় শুল্ক-কর বেশি হওয়ায় ফলটির দাম ও করভার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল আলম বলেন, বিশ্বের কোথাও ফল আমদানিতে এত শুল্ক-কর নেই। তাঁর ভাষ্য, বাংলাদেশে মাল্টাসহ তাজা ফলে শুল্ক-কর গাড়ির চেয়েও বেশি।</p>
<h3>ধাপে ধাপে বেড়েছে করভার</h3>
<p>তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬–০৭ অর্থবছরে মাল্টা আমদানিতে মোট শুল্ক-করভার ছিল ৫৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। সে সময় প্রতি কেজি মাল্টার বিপরীতে শুল্ক-কর দিতে হতো প্রায় ১২ টাকা।</p>
<p>পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে এই করভার বাড়তে থাকে। ২০২১–২২ অর্থবছর পর্যন্ত মাল্টা আমদানির মোট শুল্ক-করভার বেড়ে দাঁড়ায় ৮৯ দশমিক ৩২ শতাংশে। তখন প্রতি কেজি মাল্টায় শুল্ক-কর বাবদ ব্যয় হতো প্রায় ৩৮ টাকা।</p>
<p>এরপর ২০২২ সালের মে মাসে মাল্টাসহ ফল আমদানিতে করভার আরও বাড়ানো হয়। ডলার-সংকটের সময় আমদানি নিরুৎসাহিত করতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ফলের ওপর নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করে।</p>
<p>এর ফলে মাল্টার মোট শুল্ক-করভার প্রায় ১১৪ শতাংশে উঠে যায়। পরবর্তী সময়ে করভার আরও বেড়ে বর্তমানে ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে।</p>
<p>মাল্টা সাধারণত দেশে আমদানি করা ফলের অন্যতম পরিচিত পণ্য। ডেঙ্গুর সময়ে রোগীর পথ্য হিসেবেও এটি ব্যবহৃত হয়। এমন একটি ফলের আমদানি পর্যায়ে পণ্যের মূল্যের চেয়ে বেশি শুল্ক-কর আরোপ হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।</p>
<p>বর্তমানে প্রতি কেজি মাল্টার আমদানি মূল্য প্রায় ৮৭ টাকা। এর বিপরীতে শুল্ক-কর দিতে হচ্ছে প্রায় ১০৭ টাকা। অর্থাৎ পণ্যের মূল্যের ওপর করভারই দাঁড়াচ্ছে ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। ফলে আমদানি পর্যায়েই মাল্টার মোট খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারেও পড়ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19009/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ফ্যামিলি কার্ডে বাড়তি ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে</title>
		<link>https://www.entrepreneurbd.com/19007</link>
		<comments>https://www.entrepreneurbd.com/19007#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 06 Oct 2026 10:17:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Nabil</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>

		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[দেশজুড়ে]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.entrepreneurbd.com/19007</guid>
		<description><![CDATA[<span class="feedimg"><img oncontextmenu="return false;" src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-55-thumbnail.png" alt="" /></span>
ইবি রিপোর্ট
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা ও লক্ষ্য নির্ধারণ আরও কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমানোর সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একাধিক খাদ্য ভর্তুকি কর্মসূচি একত্রিত করা এবং বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচির সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণের সঙ্গে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ যুক্ত করা হলে অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব।
মঙ্গলবার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.entrepreneurbd.com/cloud/archives/2026/10/untitled-design-55-thumbnail.png" alt="---" /></p>
<p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 20px; padding: 0px; border-width: medium; border-style: none; border-color: currentcolor; border-image: none; outline: none; position: relative; line-height: 25px; font-family: SolaimanLipi, Arial, Helvetica, sans-serif; color: #333333; font-size: 20px"><span style="box-sizing: border-box; margin: 0px; padding: 0px; border-width: medium; border-style: none; border-color: currentcolor; border-image: none; outline: none; font-weight: 700">ইবি রিপোর্ট</span></p>
<p data-pm-slice="1 1 []"><strong>সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা ও লক্ষ্য নির্ধারণ আরও কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমানোর সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, একাধিক খাদ্য ভর্তুকি কর্মসূচি একত্রিত করা এবং বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচির সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণের সঙ্গে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ যুক্ত করা হলে অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব।</strong></p>
<p>মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন হালনাগাদ’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটি বলেছে, সীমিত সরকারি সম্পদের সর্বোচ্চ সুফল পেতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলো দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের কাছে আরও সুনির্দিষ্টভাবে পৌঁছানো প্রয়োজন।</p>
<p>প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির সাম্প্রতিক পরিস্থিতিও তুলে ধরা হয়েছে। এতে ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ৩.৪ শতাংশ করা হয়েছে। বিনিয়োগের গতি কমে যাওয়া, রপ্তানি দুর্বল হওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।</p>
<p>এর ফলে সাধারণ পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বেড়েছে। আর্থিক খাতের দুর্বলতা ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় প্রভাব ফেলছে। সীমিত রাজস্ব সংস্থানের কারণে সরকারি বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।</p>
<p>তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির কারণে দেশের বহিঃখাত তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।</p>
<h3>সংস্কারের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি বাড়ার সম্ভাবনা</h3>
<p>জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের গতি বাড়লে ২০২৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৯ শতাংশে উন্নীত হতে পারে বলে আশা করছে বিশ্বব্যাংক।</p>
<p>বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসম বলেন, অর্থনৈতিক মন্দা এড়াতে এবং বেসরকারি বিনিয়োগ-চালিত অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে ফিরতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।</p>
<p>তিনি বলেন, দরিদ্রদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আরও বেশি ও উন্নত কর্মসংস্থান তৈরিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত করতে হবে।</p>
<h3>দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে</h3>
<p>বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে দেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ লাখ বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছে। একই সময়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি থমকে গেছে এবং বিপুল সংখ্যক নারী চাকরি হারিয়েছেন।</p>
<p>ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাও বেড়েছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ৩০.৬ শতাংশ থেকে খেলাপি ঋণের হার ২০২৬ সালের জুনে বেড়ে ৩৩.২ শতাংশ হয়েছে। এদিকে রাজস্ব আদায় জিডিপির মাত্র ৮.৩ শতাংশ, যা বিশ্বজুড়ে অন্যতম সর্বনিম্ন হার। ফলে প্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় সংকুচিত হচ্ছে। ২০২৫ অর্থবছরের ৩.৫ শতাংশ থেকে রাজস্ব ঘাটতি ২০২৬ অর্থবছরে বেড়ে জিডিপির ৩.৯ শতাংশ হয়েছে।</p>
<h3>সামাজিক সুরক্ষায় লক্ষ্য নির্ধারণের ওপর জোর</h3>
<p>সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি ও কৃষি ভর্তুকি দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করলেও সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেক কোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নেই।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের মতে, উপকারভোগী নির্বাচনে উন্নত ব্যবস্থা নেওয়া গেলে এসব কর্মসূচির দারিদ্র্য কমানোর প্রভাব বাড়ানো সম্ভব। সরকারের ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।</p>
<p>এদিকে প্রতিবেদনটিতে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে। শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে এ বছর দক্ষিণ এশিয়ার প্রবৃদ্ধি ৬.৯ শতাংশ হতে পারে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ২০২৭ সালে তা কমে ৬.৭ শতাংশে দাঁড়াতে পারে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংক বলেছে, এআই প্রযুক্তির ব্যবহার শ্রম উৎপাদনশীলতা, রপ্তানি বৈচিত্র্য ও জনসেবার মান বাড়াতে পারে। তবে এর সুফল পেতে দক্ষতা, অবকাঠামো ও সহায়ক কর্মপরিবেশে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.entrepreneurbd.com/19007/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
