![]()
ইবি রিপোর্ট
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে পাসের হারে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ পরীক্ষার্থী। বিপরীতে সবচেয়ে কম পাসের হার বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে, ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সম্মিলিত পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ।
শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডভিত্তিক ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে ধরে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩০ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫ লাখ ৪১ হাজার ২৪৯ জন। এ হিসাবে বোর্ডগুলোর গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। এসব বোর্ডে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন শিক্ষার্থী।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। চট্টগ্রাম বোর্ডে এ হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছেন।
অন্যদিকে, কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ। তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে থাকা বরিশাল বোর্ডে এ হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বাইরে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ বোর্ডে মোট ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ বোর্ডের অধীনে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫০ হাজার ৮৮৯ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী।
ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৮ আগস্ট এবং ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ছিল।
তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া যায়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এর ফলে ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
পাঠকের মন্তব্য