![]()
ইবি রিপোর্ট
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাস করেছেন ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ পরীক্ষার্থী। এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। গত দুই বছরের ফলের তুলনায় এবার সর্বোচ্চ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে ১২ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়া এ পরীক্ষার ফল শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে।
শনিবার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের পরপরই দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইন মাধ্যমে একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
এর আগে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরে তারিখ পরিবর্তন করে শনিবার নির্ধারণ করা হয়।
এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। গত বছর প্রথম দফায় ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী এ গ্রেড অর্জন করেছিলেন। পরে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে আরও ৩ হাজার ৭৯ জনের জিপিএ-৫ যুক্ত হয়। ফলে সংশোধিত হিসাবে গত বছর সর্বোচ্চ গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বেড়েছিল।
২০২৪ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। সে হিসাবে আগের দুই বছরের তুলনায় এবার সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বোর্ড প্রকাশিত ফলাফল অনলাইন থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এ জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটের ‘Result’ কর্নারে গিয়ে বোর্ড নির্বাচন এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি নম্বর বা EIIN ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করতে হবে। পরে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় ফল প্রকাশ করতে পারবে।
পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর অভিন্ন ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল দেখতে পারবেন। পাশাপাশি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।
মুঠোফোনে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে। এ ক্ষেত্রে যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ নম্বরে নির্ধারিত ফরম্যাটে বার্তা পাঠাতে হবে। বার্তার ধরন হবে: HSC Dha 123456 2026। এখানে ‘Dha’-এর জায়গায় সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর এবং ১২৩৪৫৬-এর জায়গায় পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর লিখতে হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড কিংবা পত্রিকা অফিস থেকে পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
ফলাফলে সন্তুষ্ট না হওয়া পরীক্ষার্থীরা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদন করার নিয়ম ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
চলতি বছরের ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখের বেশি। তবে পরীক্ষার বিভিন্ন পর্বে কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
পাঠকের মন্তব্য