![]()
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা মহানগর, চট্টগ্রাম মহানগর, গাজীপুর মহানগর, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত তারা মাঠে থাকবে।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে জারি করা এক জরুরি চিঠিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠনের সম্ভাব্য বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এদিকে আগামী ২৩ জুন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নগরীর নিরাপত্তা বজায় রাখতে রাজধানীজুড়ে ২০০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ পিকেট ও তল্লাশি চৌকি স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি ঢাকার সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হবে, যাতে কোনো বহিরাগত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে গোয়েন্দা শাখা ও সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ইউনিট মাঠে সক্রিয় থাকবে। একই সঙ্গে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মহানগরের বিভিন্ন স্থানে ১৫টি দ্রুত সাড়া প্রদানকারী দল প্রস্তুত রাখা হবে। এছাড়া চারটি প্রধান নিয়ন্ত্রণকক্ষে পর্যাপ্ত সংখ্যক রিজার্ভ সদস্য মোতায়েন থাকবে।
ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৮ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে থেকে নিরাপত্তা কার্যক্রম তদারকি করবেন।
পাঠকের মন্তব্য