![]()
গেল মার্চ মাসে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাসের উৎপাদন নেমে এসেছে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক জরিপে উঠে এসেছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সদস্য দেশগুলো রপ্তানি কমাতে বাধ্য হয়েছে।
ওপেক ও রাশিয়াসহ মিত্র দেশগুলো নিয়ে গঠিত এই জোট ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে উৎপাদন স্থিতিশীল রাখা এবং এপ্রিল থেকে সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছিল। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ৫ এপ্রিল বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির সংকটের কারণে মার্চে তেল উৎপাদন দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল কমে ২ কোটি ২২ লাখ ব্যারেলে নেমে আসতে পারে।
জরিপ অনুযায়ী, উৎপাদনে সবচেয়ে বড় পতন ঘটেছে ইরাকে। ফেব্রুয়ারিতে যেখানে দৈনিক উৎপাদন ছিল প্রায় ৪১ লাখ ব্যারেল, মার্চে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেলে। অন্যদিকে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তুলনামূলক কম উৎপাদন কমিয়েছে, কারণ তাদের বিকল্প রপ্তানি পথ রয়েছে।
এদিকে মার্চে ওপেক প্লাসের মধ্যে কেবল ভেনিজুয়েলা ও নাইজেরিয়া উৎপাদন বাড়াতে পেরেছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এই উৎপাদন হ্রাস ২০২০ সালের জুনের পর সর্বনিম্ন, যখন মহামারির কারণে চাহিদা কমে যাওয়ায় ওপেক প্লাস বড় ধরনের উৎপাদন কমিয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে উৎপাদন ও রপ্তানিতে আরও প্রভাব পড়তে পারে।
পাঠকের মন্তব্য