![]()
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় পাকিস্তান সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে সম্প্রতি খবর এসেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি খোলার জন্য ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার সময় দিয়েছিলেন। তবে সময় শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে তিনি ঘোষণা করেন, ইরানের ওপর সব ধরনের হামলা স্থগিত করা হলো। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘খুবই ইতিবাচক, ফলপ্রসূ এবং গঠনমূলক আলোচনা’ হয়েছে।
ইরান এই আলোচনার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে। ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি এবং সামাজিক মাধ্যমে এটিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উল্লেখ করেছেন। তবে একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কিছু প্রস্তাব তাদের কাছে পৌঁছেছে এবং তা যাচাই করা হচ্ছে।
সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান এই আলোচনায় মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে এবং প্রয়োজন হলে রাজধানী ইসলামাবাদে আলোচনা আয়োজন করতে প্রস্তুত। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস এবং অ্যাক্সিওসের রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে হামলার পর উদ্ভূত সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে পারে।
বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনায় মিশর, তুরস্ক ও পাকিস্তানও মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে জড়িত ছিল। পাকিস্তানি পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির হুসাইন আন্দ্রাবি জানিয়েছেন, ইসলামাবাদ সব সময় আলোচনার জন্য প্রস্তুত এবং দেশটি এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ধারাবাহিকভাবে সংলাপ ও কূটনীতিকে সমর্থন করে।
পাঠকের মন্তব্য