![]()
৬ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তার জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করা হয়েছে। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত শেষ শোকযাত্রা শেষে পবিত্র ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে সর্বশেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মাজার প্রাঙ্গণেই তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে দেশজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করে এবং লাখো অনুসারী অশ্রুসজল চোখে তাদের নেতাকে শেষ বিদায় জানান।
এর আগে ইরাকের কারবালা শহর থেকে বিমানে করে খামেনির মরদেহ ইরানে আনা হয়। পরে শবযানে করে তা মাশহাদে নেওয়া হলে পথে পথে অসংখ্য মানুষ শ্রদ্ধা জানান। ইমাম রেজার মাজার পর্যন্ত ঐতিহাসিক শোকযাত্রায় লাখো মানুষ অংশ নেন এবং প্রিয় নেতার কফিন একনজর দেখা কিংবা স্পর্শ করার জন্য ভিড় করেন। শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের স্লোগান ও আবেগঘন পরিবেশে মাশহাদ কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
এদিকে শোকযাত্রাকে কেন্দ্র করে কিছু অনুসারীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, দাফন কার্যক্রম ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে মাশহাদের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা হয়েছিল। তবে এ ধরনের অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
পাঠকের মন্তব্য