![]()
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত শুরু করতে পারেনি Portugal national football team। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্রয়ের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন অধিনায়ক Cristiano Ronaldo, তবে ইতিবাচক কারণে নয়।
ম্যাচের শুরুটা ছিল পর্তুগালের পক্ষে। ষষ্ঠ মিনিটে João Neves-এর গোলে এগিয়ে যায় দলটি। কিন্তু এরপর আর গোলের দেখা পায়নি ইউরোপীয়রা। বরং প্রথমার্ধের শেষ দিকে সমতা ফেরায় DR Congo national football team।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই যেখানে Lionel Messi হ্যাটট্রিক করেছেন, Kylian Mbappé জোড়া গোল পেয়েছেন এবং Erling Haaland গোল করে দলকে জিতিয়েছেন, সেখানে রোনালদোর পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। পুরো ম্যাচে তিনি খুব কমই বলের সংস্পর্শে এসেছেন এবং আক্রমণভাগে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে Francisco Conceição-এর দুটি বিপজ্জনক ক্রস থেকেও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন রোনালদো। দুইবারই বলের সঙ্গে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি। এছাড়া বল হারানোর পর প্রেসিং, নিচে নেমে খেলা তৈরি করা কিংবা প্রতিপক্ষের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রেও তাকে নিষ্ক্রিয় দেখা গেছে।
একসময় জাতীয় দলে রোনালদোকে বেঞ্চে বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন সাবেক কোচ Fernando Santos। পরে দায়িত্ব নেওয়া Roberto Martínez স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, তার দল গড়ে উঠবে রোনালদোকে কেন্দ্র করে। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষেও সেই আস্থার প্রতিফলন দেখা গেছে; অধিনায়ককে পুরো ম্যাচ মাঠে রেখেছেন তিনি। কিন্তু রোনালদো সেই বিশ্বাসের প্রতিদান দিতে পারেননি।
অন্যদিকে, Bruno Fernandes, Vitinha এবং Bernardo Silva-র মতো তারকাদের নিয়েও প্রত্যাশামতো ছন্দে দেখা যায়নি পর্তুগালকে। মিডফিল্ডে ভিটিনহা সবচেয়ে সক্রিয় থাকলেও ম্যাচের শেষ দিকে তাকেই বদলি করা হয়, অথচ রোনালদো মাঠে থেকে যান।
রক্ষণভাগেও দুর্বলতা ছিল স্পষ্ট। ডিআর কঙ্গোর সমতাসূচক গোলের সময় Yoane Wissa প্রায় বাধাহীনভাবে হেড করার সুযোগ পান। Renato Veiga ও Tomás Araújo-র মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতিও চোখে পড়ে।
ফলে ম্যাচ শেষে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি প্রশ্ন— ৪১ বছর বয়সী রোনালদো কি এখনও পর্তুগালের আক্রমণের সবচেয়ে বড় ভরসা, নাকি দলকে নতুন আক্রমণাত্মক কাঠামোর দিকে এগোতে হবে? ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচটি অন্তত সেই বিতর্ককে আরও জোরালো করেছে।
পাঠকের মন্তব্য