![]()
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের ঢলে গাজীপুর অঞ্চলের প্রধান মহাসড়কগুলোতে ভয়াবহ যানজট ও ধীরগতি দেখা দিয়েছে। ভোর থেকে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে বহুগুণ।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বিভিন্ন অংশে যানবাহন থেমে থেমে চলছে। কোথাও কোথাও কয়েক মিনিট পরপর পুরো সড়কই স্থবির হয়ে যাচ্ছে।
বিশেষ করে চন্দ্রা ত্রিমোড়, কোনাবাড়ি, নবীনগর এবং চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। একইভাবে টঙ্গী, বোর্ডবাজার ও ভোগড়া বাইপাস এলাকায়ও তীব্র চাপ দেখা গেছে।
গতকাল কিছু পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ার পর আজ আরও বড় অংশের কারখানা ছুটি দেওয়া হয়। ফলে হাজার হাজার শ্রমিক ও ঘরমুখো মানুষ একসঙ্গে রাস্তায় নামায় সড়কে চাপ বহুগুণ বেড়ে যায়। পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে বাসের ছাদ, খোলা ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে ঝুঁকি নিয়ে যাত্রা করছেন।
এক যাত্রী হারুন অর রশিদ জানান, স্বাভাবিক সময়ে যে পথ এক ঘণ্টায় পার হওয়া যায়, সেখানে এখন কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে থাকতে হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে সড়কে পানি জমে যাওয়ায় যানবাহনের গতি আরও কমে গেছে।
অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগও রয়েছে যাত্রীদের মধ্যে। তবে চালকদের দাবি, খালি গাড়ি নিয়ে ফিরতে হওয়া, জ্বালানি খরচ এবং দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকার কারণে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।
মহাসড়কের শৃঙ্খলা রক্ষায় হাইওয়ে পুলিশ, জেলা পুলিশ, মহানগর পুলিশ, এপিবিএন, বিজিবি এবং প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন বলে জানানো হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ বাংলাদেশ কর্মকর্তা সওগাতুল আলম বলেন, ঈদকে সামনে রেখে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। দুর্ঘটনা বা যানবাহন বিকল হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং বৃষ্টি ও চাপের মধ্যেও সড়ক সচল রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।
পাঠকের মন্তব্য