![]()
মার্কো রুবিও অভিযোগ করেছেন, হিজবুল্লাহ আবারও লেবাননকে “বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসের দিকে” ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
রোববার দেওয়া এক বিবৃতিতে রুবিও দাবি করেন, হিজবুল্লাহ লেবাননের “গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার উৎখাতের বেপরোয়া আহ্বান” জানিয়েছে। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহর সহিংসতা ও সরকার উৎখাতের হুমকি সফল হতে দেওয়া হবে না।
রুবিও আরও মন্তব্য করেন, “একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পুরো একটি দেশকে জিম্মি করে রাখার যুগ শেষ হতে চলেছে।”
এর আগে হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম বলেন, ইসরাইলি হামলা এবং আল-কর্দ আল-হাসান-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জনগণের রাস্তায় নেমে সরকার পতনের অধিকার রয়েছে।
হিজবুল্লাহ-সংশ্লিষ্ট আল-কর্দ আল-হাসান মূলত শিয়া মুসলিম জনগোষ্ঠীকে সুদবিহীন ঋণ দিয়ে থাকে। লেবাননের চলমান অর্থনৈতিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত বহু মানুষ এই প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিয়ে থাকে।
নাইম কাসেম বলেন, “আল-কর্দ আল-হাসানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন মানে লাখো দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষের বিরুদ্ধে আগ্রাসন।”
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবে লেবানন সরকারকে সংগঠনটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাপ দিয়ে আসছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। সংবাদমাধ্যম Axios-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই পক্ষের সম্ভাব্য খসড়া সমঝোতায় এমন ভাষা রয়েছে, যাতে লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
গত ১৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর তা কয়েক দফা বাড়ানো হলেও, ইসরাইল এখনো লেবাননে নিজেদের ভাষায় “ইরানপন্থী হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে” হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত রেখেছে।
পাঠকের মন্তব্য