![]()
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘনিষ্ঠ মহলে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে নয়, বরং নির্ধারিত একটি সময়সূচি অনুসরণ করে দায়িত্ব ছাড়তে চান।
ডেইলি মেইলের প্রতিবেদক ড্যান হজেসের বরাতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক মন্ত্রিসভার সদস্য জানিয়েছেন, স্টারমার রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন এবং চলমান পরিস্থিতিকে দীর্ঘায়িত করতে চান না। তিনি মর্যাদার সঙ্গে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছেন বলেও ওই সূত্রের দাবি।
আরেকটি সূত্র জানায়, পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দলীয় কয়েকজন শীর্ষ সহযোগী তাকে আপাতত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, আসন্ন মেকারফিল্ড উপনির্বাচনের ফল ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
দলের ভেতরে অস্থিরতা ও মতবিরোধের কথাও উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে। বলা হচ্ছে, ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ভেতরে একাংশ এমপি নেতৃত্বের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন এবং নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।
এদিকে ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহামের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও আলোচনা চলছে। কিছু সূত্রের দাবি, তিনি ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরে নতুন নেতৃত্বের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন।
সরকারের অভ্যন্তরে কয়েকদিন ধরে একাধিক পদত্যাগ ও মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যেই ডাউনিং স্ট্রিটে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও কৌশল নিয়ে চাপ ও বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
অন্যদিকে, সরকারের অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য খাত সংক্রান্ত কিছু ইতিবাচক ঘোষণাকে কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হলেও তা পুরোপুরি সফল হয়নি বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে এখন পর্যন্ত ডাউনিং স্ট্রিট বা কিয়ার স্টারমারের পক্ষ থেকে পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
পাঠকের মন্তব্য