![]()
Sheikh Robiul Alam মন্তব্য করেছেন, দেশে “মেগা প্রকল্পের নামে লুটপাট” হয়েছে এবং Padma Bridge নির্মাণেও ব্যয় আরও কমানো সম্ভব ছিল। তার অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা না থাকায় বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে এবং দেশকে বড় অঙ্কের বৈদেশিক ঋণের বোঝা বহন করতে হচ্ছে।
সোমবার শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও অনেক কাজ এখনো অসমাপ্ত, কোথাও ঠিকাদার পালিয়ে গেছে, আবার কোথাও প্রকল্প স্থবির হয়ে আছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীরাও বড় প্রকল্পে অর্থায়নে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে বিএনপি সরকারের সময়ে পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই এবং মাওয়া প্রান্তের অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে দুর্নীতি ও ব্যয় বৃদ্ধির অভিযোগ উঠলেও শেষ পর্যন্ত সেতুটি বাস্তবায়িত হয়েছে। একইসঙ্গে যারা অর্থ অপচয়ের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে Bangladesh Bridge Authority পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে টোল প্লাজার পাশে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। চারতলা এই জাদুঘরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ ইতিহাস, গবেষণা উপকরণ, নদী অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ করা হবে।
জাদুঘরে পদ্মা সেতুর মডেল, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম, নৌযানের উপকরণ, মাছ ধরার সামগ্রী এবং নদীকেন্দ্রিক জীববৈচিত্র্যের নমুনাও প্রদর্শিত হবে। বর্তমানে সংগৃহীত নমুনাগুলো মাওয়া প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-১ এ সংরক্ষিত রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬৩৬ প্রজাতির মোট ২ হাজার ৪৩১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য