![]()
Donald Trump প্রশাসন ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর সামরিক অবদান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি “ভালো ও মন্দ” তালিকা তৈরি করেছে বলে প্রতিবেদনে জানা গেছে। এতে প্রতিটি দেশ কতটা সামরিক ব্যয় করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় কতটা সক্রিয়—তার ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ওয়াশিংটনের দাবি, যেসব মিত্র দেশ ইরান যুদ্ধ বা অন্যান্য কৌশলগত অভিযানে যথেষ্ট সহায়তা দেয়নি, তাদের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সামরিক সহযোগিতা সীমিত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
এই নীতির ফলে ন্যাটোর ভেতরে নতুন করে বিভাজনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার মতো দেশগুলোকে “ভালো অংশীদার” হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ তারা বেশি প্রতিরক্ষা ব্যয় করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতিকে সমর্থন দিচ্ছে। অন্যদিকে স্পেন ও যুক্তরাজ্যের মতো কিছু পশ্চিম ইউরোপীয় দেশ তুলনামূলক কম সামরিক সহযোগিতার কারণে চাপের মুখে পড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বাল্টিক রাষ্ট্রগুলো যেমন লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়া তাদের উচ্চ সামরিক ব্যয়ের জন্য ওয়াশিংটনের প্রশংসা পাচ্ছে।
NATO–এর ভেতরে এই অবস্থানকে ঘিরে ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের টানাপোড়েন বাড়ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। বিশেষ করে সামরিক ব্যয় বাড়ানো এবং যৌথ অভিযানে অংশগ্রহণের চাপ নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো জোটের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও দায়িত্ব ভাগাভাগি আরও শক্তিশালী করা, সমালোচকরা এটিকে মিত্র দেশগুলোর ওপর রাজনৈতিক চাপ হিসেবে দেখছেন।
পাঠকের মন্তব্য