
ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর পাঠানো “উত্তেজনা কমানো” বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়নি।
প্রথম বৈদেশিক নীতি বৈঠকে তিনি কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে “হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা” এবং তাদের পরাজয় ও ক্ষতিপূরণ আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তির সময় আসেনি।
এর আগে তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি’র স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর এখনো প্রকাশ্যে আসেননি তিনি। বৈঠকে তিনি সরাসরি নাকি ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছেন, সেটিও নিশ্চিত নয়।
এদিকে যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সংঘাতের শেষ হওয়ার কোনো ইঙ্গিতও নেই।
যুদ্ধের প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও পড়ছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বে প্রায় ২০% তেল ও এলএনজি পরিবহন ব্যাহত হয়েছে। ফলে তেলের দাম ইতোমধ্যে প্রায় ৪৫% বেড়েছে এবং নতুন করে সংযুক্ত আরব আমিরাত-এ হামলার পর আরও ২% বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য