![]()
মিরপুর থেকে দেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনার সূচনা হয়েছে। জামায়াতের আমির Dr. Shafiqur Rahman মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে মিরপুর ১৫ আসনের বাসিন্দাদের মাঝে চীনের সহযোগিতায় ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন, “তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনকে জামায়াত পূর্ণ সমর্থন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে।”
তার বক্তব্য অনুযায়ী, চীনের অর্থায়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল এবং এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ কাজ দ্রুতই সমাপ্ত হবে বলে তিনি প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।
চীনের ভূমিকা ও বাংলাদেশের স্বার্থ
জামায়াত আমির আরও বলেন, কিছু দেশ বাংলাদেশের জন্য কোনো অবদান না রাখলেও দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকিতে ফেলেছিল। এর বিপরীতে, চীন দেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, অনেকটা নিঃশব্দে। তিনি চীনের রাষ্ট্রদূতের প্রতি আরও উদ্যোগী হয়ে সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
তার ভাষায়:
“নতুন করে কোনো দেশের আধিপত্যের বোঝা আমরা সহ্য করব না। শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা উন্নয়নে একসাথে কাজ করতে হবে।”
চীনা রাষ্ট্রদূতের প্রতিক্রিয়া
অনুষ্ঠানে উপস্থিত চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব জনগণের হৃদয়ে মিশে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, “তিস্তা চুক্তি এগিয়ে নিতে চীন চায়। আমরা আশা করি জামায়াতও আমাদের সহায়তা করবে।”
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “একসাথে সম্পর্ক এগিয়ে নিলে আমরা নতুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সফল হব।”
দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সমন্বিত উন্নয়ন
এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক শুধু কূটনৈতিক নয়, বরং দেশের বাস্তব উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত প্রোগ্রামেও গুরুত্বপূর্ণ। তিস্তা চুক্তি, বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক হল, হাসপাতাল নির্মাণ—এই সব প্রকল্প চীনা সহায়তায় এগিয়ে চলার মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জামায়াতের এই সমর্থন চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ-চীনের বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করবে এবং দেশের সমৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।
পাঠকের মন্তব্য