![]()
জাহিদুজ্জামান সাঈদ
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের পুলিশ বাহিনী এক নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়ে। থানায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, অস্ত্র লুট এবং সদস্যদের ওপর আক্রমণে বাহিনীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অনেক সদস্য কর্মস্থল ছেড়ে যান। থানাগুলোতে নিরাপত্তা ও জনবলসংকট তৈরি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা বাহিনীটির নিজের নিরাপত্তা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নিয়েই তখন প্রশ্ন দেখা দেয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ)-এর এক প্রতিবেদনে ৬৩৯টি থানার মধ্যে ৪৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার তথ্য উঠে আসে। অন্যদিকে, পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে বিভিন্ন সময়ে ৪৬০টি পুলিশ স্থাপনায় হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর বা লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
পুলিশের সদস্যদের হতাহতের ঘটনাও বাহিনীর মনোবলে বড় ধাক্কা দেয়। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২১ জুলাই থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ৪৪ জন পুলিশ সদস্য নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ৫ আগস্ট নিহত হন ২৫ জন। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় নিহত হন ১৫ জন।
অস্ত্র লুটের ঘটনাও পুলিশের সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর সম্মিলিত হিসাব অনুযায়ী, ৫ হাজার ৭৬৩টি অস্ত্র লুট হয়েছিল। ২০২৬ সালের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৫৪টি উদ্ধার করা সম্ভব হয়; বাকি ১ হাজার ৩০৯টি অস্ত্র তখনো উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্র অপরাধীদের হাতে থেকে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে পুলিশকে আবার সচল করা সহজ ছিল না। থানার কার্যক্রম চালু করা, সদস্যদের কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা, মনোবল পুনরুদ্ধার এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ করতে হয়েছে। পুলিশের বর্তমান নেতৃত্ব বলছে, ধীরে ধীরে বাহিনীতে শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস ফিরছে।
অপরাধের পরিসংখ্যানে কী দেখা যাচ্ছে
পুলিশের কার্যক্রম মূল্যায়নের একটি উপায় হলো অপরাধের প্রবণতা দেখা। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দাঙ্গা, ডাকাতি, হত্যা, অপহরণ, শিশু নির্যাতন, ছিনতাই ও নারী নির্যাতন—এই সাত শ্রেণির অপরাধে ১৭ হাজার ৩৩৫টি মামলা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার ৬৬১। অর্থাৎ মামলা কমেছে ১ হাজার ৩২৬টি বা প্রায় ৭ দশমিক ১ শতাংশ। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের তিন মাসেও এসব অপরাধের মামলা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে।
পুলিশের সামনে এখনো যেসব সমস্যা
পুলিশ বাহিনী সচল হলেও তাদের সামনে কয়েকটি কাঠামোগত ও পেশাগত সমস্যা রয়ে গেছে। প্রথমত, জনবল ও কর্মপরিবেশ। দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব, আবাসনসংকট, মানসিক চাপ এবং ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব মাঠপর্যায়ের সদস্যদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। একটি থানায় প্রয়োজনীয় জনবল না থাকলে একই সদস্যকে টহল, মামলা তদন্ত, আদালতের কাজ ও অন্যান্য দায়িত্ব সামলাতে হয়। এতে সেবার মান এবং তদন্তের গতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পেশাদার পুলিশিং প্রতিষ্ঠা। অতীতে নিয়োগ, পদায়ন, বদলি ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ পুলিশের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আইন প্রয়োগে পক্ষপাতের অভিযোগও জনআস্থার সংকট তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে কোনো সরকার বা প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থে পুলিশ যেন ব্যবহৃত না হয়, সে জন্য নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছ মানদণ্ড এবং বদলির ক্ষেত্রে লিখিত নীতিমালা প্রয়োজন।
তৃতীয়ত, তদন্তের দুর্বলতা ও বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা। মামলা তদন্তে বিলম্ব, সাক্ষীর অনুপস্থিতি, দুর্বল তথ্যপ্রমাণ এবং ফরেনসিক সক্ষমতার ঘাটতি অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগপত্র ও বিচারকে প্রভাবিত করে। অপরাধী গ্রেপ্তার করাই পুলিশের কাজের শেষ নয়; আদালতে অপরাধ প্রমাণের উপযোগী তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করাও সমান জরুরি।
চতুর্থত, পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থার ঘাটতি। থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে হয়রানি, মামলা নিতে গড়িমসি, অনৈতিক লেনদেন এবং প্রভাবশালীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণের অভিযোগ দূর করতে না পারলে বাহিনীর ভাবমূর্তি বদলানো কঠিন হবে। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত ও নিষ্পত্তিতে কার্যকর জবাবদিহি না থাকলেও মানুষের আস্থা ফিরবে না।
পঞ্চমত, অপরাধের ধরন বদলালেও পুলিশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সব ক্ষেত্রে সমানভাবে বাড়েনি। সাইবার অপরাধ, অনলাইন আর্থিক প্রতারণা, মোবাইল ব্যাংকিং জালিয়াতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলায় বিশেষায়িত দক্ষতা প্রয়োজন। শুধু প্রচলিত পুলিশি পদ্ধতিতে এসব অপরাধের তদন্ত করা কঠিন।
আস্থা ফেরাতে কী করতে হবে
পুলিশকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে প্রথমেই বাহিনীর ভেতরের কর্মপরিবেশ উন্নত করতে হবে। থানাভিত্তিক জনবলের প্রয়োজন নির্ধারণ করে সদস্য পদায়ন, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, সাপ্তাহিক বিশ্রাম, আবাসন, চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করতে হবে। দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার সদস্যদের চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়েও প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দরকার।
একই সঙ্গে নিয়োগ, পদায়ন, বদলি ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধ করতে হবে। পেশাগত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও কর্মমূল্যায়নের ভিত্তিতে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। কোনো বেআইনি নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করলে পুলিশ সদস্য যেন হয়রানির শিকার না হন, সেই সুরক্ষাও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তদন্তের মান বাড়াতে কর্মকর্তাদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ, আধুনিক ফরেনসিক সুবিধা, ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহের সক্ষমতা এবং সাক্ষী সুরক্ষার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পুলিশ, প্রসিকিউশন ও বিচার বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। এতে শুধু গ্রেপ্তারের সংখ্যা নয়, মামলার চূড়ান্ত ফলাফলও উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে।
জনআস্থা ফেরানোর জন্য থানায় অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। অভিযোগকারী যেন হয়রানি ছাড়াই সেবা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশের বিরুদ্ধে নাগরিকের অভিযোগ তদন্তে পুলিশ বিভাগের বাইরে কার্যকর ও স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। অভিযোগের তদন্ত, সিদ্ধান্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করলে জবাবদিহি বাড়বে।
পুলিশকে শুধু অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ রাখলেও চলবে না। অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী সংগঠন ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ গড়ে তুলতে হবে। কমিউনিটি পুলিশিংকে আনুষ্ঠানিক সভা বা প্রচার কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এলাকার বাস্তব সমস্যা সমাধানের মাধ্যম করতে হবে।
তবে পুলিশের সাফল্য মূল্যায়নের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। কতজন গ্রেপ্তার হলেন বা কতটি মামলা হলো, শুধু এই হিসাব দিয়ে কোনো থানার কার্যকারিতা বিচার করা উচিত নয়। তদন্ত শেষ করতে কত সময় লাগছে, অভিযোগপত্র কতটা গ্রহণযোগ্য, অপরাধের পুনরাবৃত্তি কমছে কি না, নাগরিকের অভিযোগ কত দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে এবং থানার সেবায় মানুষ কতটা সন্তুষ্ট—এসব সূচকও মূল্যায়নে যুক্ত করতে হবে। প্রতি বছর থানাভিত্তিক সেবার মান ও জবাবদিহির প্রতিবেদন প্রকাশ করা যেতে পারে।
মনোবল ফিরলেই কি আস্থা ফিরবে?
পুলিশের মনোবল ফেরানো এবং বাহিনীর কার্যক্রম সচল করা পুনর্গঠনের প্রাথমিক শর্ত। কিন্তু সেটিই শেষ লক্ষ্য হতে পারে না। ২০২৬ সালের ২৬ অক্টোবর চট্টগ্রামের চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির ‘ক্রসফায়ার’ প্রসঙ্গে বলেন, যেখানে এর প্রয়োজন হবে এবং সরকার অনুমতি দেবে, সেখানে পুলিশ তা করবে। পরে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাতে এ কথা বলেননি; তাঁর বক্তব্য ছিল কঠোর আইন প্রয়োগের বিষয়ে।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের শক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে, তবে তা অবশ্যই আইন, যথাযথ প্রক্রিয়া ও মানবাধিকারের সীমার মধ্যে থাকতে হবে। অপরাধ দমন করতে গিয়ে আইন লঙ্ঘনের সুযোগ তৈরি হলে পুলিশের প্রতি আস্থা বাড়ার বদলে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অপরাধীদের কাছে কঠোর বার্তা পৌঁছানোও জরুরি। অপরাধ করলে পার পাওয়া যাবে না—আইনের আওতায় এনে অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করার ক্ষেত্রে পুলিশের দৃঢ়তা থাকতে হবে। তবে সেই কঠোরতা হতে হবে আইনসম্মত, পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক। অর্থাৎ অপরাধীর প্রতি কঠোরতা এবং নাগরিকের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা—দুটিই পুলিশি দায়িত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
পুলিশের ওপর হামলা ও সদস্যদের নিরাপত্তার বিষয়টিও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। পুলিশ সদর দপ্তরের এক হিসাবে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশকে লক্ষ্য করে ১ হাজার ৪২টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। আবার পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের আলাদা হিসাবে ২০২৬ সালের প্রথম ১০ মাসে ১৭৬টি হামলায় চার সদস্য নিহত ও ৩৭০ জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, অপরাধী গ্রেপ্তারের পর জামিনে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও পুলিশের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে থেকে জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর ৫০টি থানায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১ হাজার ৫৮টি মামলা হয়। এসব মামলার ১ হাজার ১০৮ জন আসামি জামিন পান বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে জামিন পাওয়া মানেই কেউ অপরাধী—এমন নয়। আবার জামিনের পর কেউ পুনরায় অপরাধে জড়িয়েছেন কি না, সেটিও দেখতে হবে। পুলিশের অভিযোগের পাশাপাশি তদন্তের মান, আদালতে প্রমাণ উপস্থাপন এবং বিচারপ্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
পুলিশের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ৬০ থেকে ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে বলে একটি মূল্যায়ন দেওয়া হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) ২০২৬ সালের ১৬ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত ৫ হাজার ভোটারের ওপর চালানো জরিপে পুলিশের কার্যক্রম নিয়ে ৪৫ শতাংশ সন্তুষ্টি বা সমর্থনের কথা জানিয়েছেন; অসন্তুষ্টি বা অসমর্থন জানিয়েছেন ৫২ শতাংশ।
আইজিপি নিজেও এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, পুলিশের কাজের মূল্যায়ন শুধু গ্রেপ্তারের সংখ্যা দিয়ে করা উচিত নয়। অপরাধী পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে কি না, অভিযোগপত্রের মান কেমন, আদালতে মামলার ফল কী হচ্ছে, নাগরিকেরা কী ধরনের সেবা পাচ্ছেন—এসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া দরকার।
পুলিশ বাহিনীকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে তাই শুধু মনোবল ফেরানো নয়, পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহির ভিত্তি শক্ত করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন সময়বদ্ধ সংস্কার পরিকল্পনা, নিয়মিত অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং জনগণের সামনে তার হিসাব প্রকাশ। পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরবে তখনই, যখন নাগরিকেরা বুঝবেন—এই বাহিনী ক্ষমতাবানদের স্বার্থ রক্ষার জন্য নয়, আইন ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে।
লেখক: জাহিদুজ্জামান সাঈদ
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, এন্টারপ্রেনার বাংলাদেশ
পাঠকের মন্তব্য