![]()
৯০ মিনিটজুড়ে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ম্যাচে মোট ২৬টি ফাউল হয়, যার মধ্যে আর্জেন্টিনা করে ১৫টি এবং ইংল্যান্ড ১১টি। এই উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ের একপর্যায়ে ফাউলকে কেন্দ্র করে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও ইংল্যান্ডের তরুণ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহামের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। ঘটনাটির ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়। তবে ম্যাচ শেষে বেলিংহাম বিষয়টিকে স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে ব্যাখ্যা করে অযথা বিতর্ক না তৈরির আহ্বান জানান।
বেলিংহাম বলেন, পুরো ঘটনাটি ছিল একটি ফাউল নিয়ে হওয়া সাধারণ কথোপকথন, এর বেশি কিছু নয়। তার ভাষায়, ‘আমরা শুধু একটি ফাউল নিয়ে কথা বলছিলাম। এতে খারাপ কিছু ছিল না। সবাই এটাকে বড় করে দেখাতে চাইবে, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছুই হয়নি।’ তিনি জানান, তার মনে হয়েছিল এর আগে ইংল্যান্ডের ওপর একটি ফাউল হয়েছিল। তখন মেসি পাল্টা বলেন, ‘আমার ওপর হওয়া ফাউলের কী হবে?’ জবাবে বেলিংহাম মজা করেই বলেন, ‘তুমি তো যথেষ্ট শক্তিশালী, এটা সামলে নিতে পারো।’ এরপরই কথোপকথনের ইতি ঘটে।
ম্যাচ চলাকালে এই সংক্ষিপ্ত বাক্যবিনিময়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হলেও বেলিংহাম স্পষ্ট করেন, তাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ বা তিক্ততা নেই। বরং তিনি মেসির প্রতি নিজের গভীর শ্রদ্ধার কথাই তুলে ধরেন। ইংল্যান্ডের বিদায়ের হতাশা প্রকাশ করে বেলিংহাম বলেন, ‘অবশ্যই হেরে যাওয়ার কষ্টটা অনেক। কিন্তু মেসির মতো একজন কিংবদন্তির বিপক্ষে খেলতে পারাটাও আমার জন্য বিশেষ সৌভাগ্যের।’
পাঠকের মন্তব্য