![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
বিশ্বকাপ ২০২৬-এ প্রথমবার অংশ নিয়েই ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে। শিরোপার দৌড় থেকে ছিটকে পড়লেও মাঠের লড়াই, সাহসী ফুটবল এবং আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্সের জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে দলটি। বিদায়ের পর সতীর্থদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দলের অভিজ্ঞ গোলকিপার ভোজিনিয়া।
টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। গ্রুপ পর্বে তার অসাধারণ গোলকিপিংয়ের কারণে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন জয় পায়নি এবং শেষ পর্যন্ত গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে বাধ্য হয়।
শেষ ষোলোর ম্যাচে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষেও কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় কেপ ভার্দে। যদিও রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে ৩-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় দলটি, তবুও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের লড়াকু মানসিকতা ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছে।
ম্যাচ শেষে ভোজিনিয়া বলেন,
“আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সমান টক্কর দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছি। আমাদের ম্যাচ জেতার সুযোগও ছিল। নিজেদের পারফরম্যান্সে আমরা খুবই সন্তুষ্ট এবং গর্বিত। বিদায় নেওয়ায় অবশ্যই কষ্ট হচ্ছে, তবে সবকিছুর জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”
তিনি আরও বলেন,
“আমি আমার সব সতীর্থ, কোচিং স্টাফ, ফেডারেশন এবং আমাদের সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাই। যারা আমাদের সমর্থনে এখানে এসেছিলেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”
বিশ্বকাপে জয়ের দেখা না পেলেও কেপ ভার্দের এই যাত্রাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন অভিজ্ঞ এই গোলকিপার। তার বিশ্বাস, এই দলের অনেক ফুটবলার ভবিষ্যতে ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে নিজেদের মেলে ধরবেন।
ভোজিনিয়া বলেন,
“এখন সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়। আমি আশা করি, সামনে আমাদের জন্য আরও ভালো সময় অপেক্ষা করছে। আমাদের দলে অনেক প্রতিভাবান ফুটবলার রয়েছে। ভবিষ্যতে তাদের বিশ্বের সেরা লিগগুলোতে খেলতে দেখলে আমি অবাক হব না।”
বিশ্বকাপে প্রথম অংশগ্রহণেই শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে সাহসী লড়াই করে কেপ ভার্দে প্রমাণ করেছে, তারা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বড় শক্তি হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে গোলপোস্টের নিচে ভোজিনিয়ার অসাধারণ পারফরম্যান্স এবং দলের সমন্বিত খেলাই এবারের আসরে তাদের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া কেপ ভার্দের এই অভিযাত্রা দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।