![]()
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর Md. Mostakur Rahman এক সময় ঋণ খেলাপি ছিলেন—এমন একটি পুরোনো অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। ব্যাংক খাতের বর্তমান তারল্য সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এ প্রসঙ্গে কথা বলেন।
শুক্রবার (১২ জুন) গভর্নর বলেন, এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের আলোচনা হলেও তিনি আগে কোনো মন্তব্য করেননি। তার ভাষায়, “আমি মনে করি, রেগুলেটরের কথা কম বলাই ভালো।”
অভিযোগের পটভূমি ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, একটি পরিবেশবান্ধব বা ‘গ্রিন’ কারখানার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। তবে সেই কারখানা কখনো কার্যক্রম বন্ধ করেনি, রপ্তানি কার্যক্রমও বন্ধ হয়নি এবং কোনো সময় শ্রমিকদের বেতন বকেয়া পড়েনি।
মোস্তাকুর রহমান বলেন, “ব্যবসায়িক কার্যক্রম চলাকালীন ওই ফ্যাক্টরি কখনো এক টাকাও ঋণ মওকুফ চায়নি।” তিনি দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে এবং ঋণ পুনঃতফসিল বা মওকুফের সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেনি।
ঋণ পরিশোধে বিলম্বের কারণ হিসেবে গভর্নর জানান, কারখানাটি স্থাপনের সময় ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রায় ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক জানায়, তাদের নির্ধারিত তহবিল শেষ হয়ে গেছে। পরে ঋণের সুদের হার ১১ থেকে ১২ শতাংশে উন্নীত করার শর্ত দেওয়া হয়। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণেই ঋণ পরিশোধে কিছু বিলম্ব হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ইতোমধ্যে ঋণের ১০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। গভর্নরের মতে, বিষয়টি ব্যবসায়িক বাস্তবতার অংশ ছিল এবং এটিকে ঋণ মওকুফ বা ইচ্ছাকৃত খেলাপির ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
পাঠকের মন্তব্য