![]()
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অতীত নিয়ে অতিরিক্ত বিতর্কে না গিয়ে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনে সেনাবাহিনীকে আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman।
তিনি বক্তব্যে শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের অবদান স্মরণ করে বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে দায়িত্ব পালনকালে ১৭৫ জন সদস্য শহিদ হয়েছেন এবং অনেকে আহত হয়েছেন—তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানানো উচিত। একই সঙ্গে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অবদানের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে নারী সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এই অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, একজন মেজর বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন—যা দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি ২০০৯ সালের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর ওপর বিভিন্ন সময় নানা ধরনের চাপ ও অপতৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে এবং ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা হয়েছে।
এ সময় তিনি বলেন, দেশ সবার এবং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি “ফ্যাসিবাদমুক্ত” বাংলাদেশে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এআই ও সাইবারসহ নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এবং সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগ নিচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা, সেনাবাহিনীর অবদান এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করেন।
পাঠকের মন্তব্য