![]()
ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. খুরশিদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) কয়েক হাজার গ্রাহক নিয়ে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর একটি প্রতিনিধি দল অর্থ মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে স্মারকলিপি দিতে যায়।
আন্দোলনকারীরা মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থিত ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হয়। ফোরামের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র অধ্যাপক নুর উন-নবীর নেতৃত্বে তারা অর্থমন্ত্রীর কাছে লিখিত দাবি জানানোর কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
ফোরামের দাবি, চেয়ারম্যান নিয়োগের পর থেকেই ব্যাংকের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে এবং স্বল্প সময়ের ব্যবধানে গ্রাহকদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, গত কয়েক দিনে কয়েক হাজার কোটি টাকার আমানত উত্তোলন হয়েছে, যা ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতিতে চাপ তৈরি করেছে।
অন্যদিকে ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ সতর্ক করে বলছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ইসলামী ব্যাংকের তারল্য সংকট আরও গভীর হতে পারে এবং পুরো আর্থিক ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়তে পারে।
অধ্যাপক নুর উন-নবী তার বক্তব্যে ২০১৭ সালের পর থেকে ইসলামী ব্যাংকে অনিয়মিত ঋণ বিতরণ ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তখন থেকেই ব্যাংকটি ধাপে ধাপে সংকটের দিকে এগিয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ মে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তন আসে এবং সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশিদ আলম দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকেই গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের একটি অংশ অসন্তোষ প্রকাশ করে আন্দোলনে নামে।
আন্দোলনের মধ্যেই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পর্যায়েও পরিবর্তন আসে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পাঠকের মন্তব্য