![]()
তেহরানের গবেষক Ali Akbar Dareini দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি প্রক্রিয়া কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বৃহত্তর সংঘাতের দিকে এগোচ্ছে। Al Jazeera-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাগজে-কলমে কোনো কার্যকর শান্তি চুক্তি এখন আর বিদ্যমান নেই; বরং দুই পক্ষের মধ্যে ইতোমধ্যে সীমিত আকারের সংঘাত শুরু হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী বারবার বিদ্যমান সমঝোতার শর্ত লঙ্ঘন করছে, যার ফলে উত্তেজনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, পারস্য উপসাগর অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরান তিনটি মৌলিক নিয়ম নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট নৌপথ ব্যবহার, ইরানি কর্তৃপক্ষের সেবার জন্য নির্ধারিত ফি প্রদান এবং এমন কোনো অস্ত্র বা পণ্য পরিবহন না করা যা ইরানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।
দারেইনির মতে, বর্তমানে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজ এসব নিয়ম মেনে চলাচল করছে। তবে তিনি অভিযোগ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে এই ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করছে, যার ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।
তিনি আরও বলেন, ইরান মার্কিন সামরিক চাপ বা নিষেধাজ্ঞার কাছে নতি স্বীকার করবে না। তার দাবি, যদি যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের তেল বিক্রি করতে না পারে, তাহলে অঞ্চলটির অন্যান্য দেশও যেন নির্বিঘ্নে তেল রপ্তানি করতে না পারে—এমন অবস্থান তেহরান গ্রহণ করতে পারে।
তবে উল্লেখ্য, এসব বক্তব্য একজন গবেষকের বিশ্লেষণ ও মতামত। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পক্ষের অবস্থান ও দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংঘাতের প্রকৃত অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ গতিপথ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য ও সরকারি অবস্থানও বিবেচনায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
পাঠকের মন্তব্য