![]()
স্থানীয় ব্যবসা সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ২৫টি অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ নিয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে একটি ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে।
এই পরিকল্পনায় তিনটি প্রধান পিলারের অধীনে উদ্যোগগুলো সাজানো হয়েছে—৫০ শতাংশ অবকাঠামো উন্নয়ন, ৩০ শতাংশ বিনিয়োগ সহায়তা এবং ২০ শতাংশ বিনিয়োগ উন্নয়ন। অবকাঠামো খাতে বন্দর আধুনিকায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প প্লট প্রস্তুত, বিকল্প জ্বালানি উদ্যোগ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের বেসরকারিকরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা বিনিয়োগ সহজ করবে ও উৎপাদন বাড়াবে।
বিনিয়োগ সহায়তা খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, সেবা সহজীকরণ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নীতিগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাতের নিয়মিত সংলাপ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে উদ্যোগ এবং ডিজিটাল সেবা প্ল্যাটফর্ম চালু করা।
অন্যদিকে বিনিয়োগ উন্নয়ন পিলারের আওতায় লক্ষ্যভিত্তিক বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বৃদ্ধি, ব্লু ইকোনমি খাতের বিকাশ, শিল্প ম্যাপিং এবং প্রণোদনা স্কিম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে নতুন খাত তৈরি, আঞ্চলিক শিল্পায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, এই ১৮০ দিনের পরিকল্পনা স্বল্পমেয়াদে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ভিত্তি শক্তিশালী করার একটি সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পাঠকের মন্তব্য