![]()
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ ও কূটনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump রোববার জানিয়েছেন, ইরান চাইলে আলোচনায় ফিরতে টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারে। তবে তিনি আবারও স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে তেহরান আগেই জানিয়েছে, কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধসহ সব ধরনের বাধা তুলে নিতে হবে। এই অবস্থান দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার পথকে আরও কঠিন করে তুলছে।
কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi সম্প্রতি পাকিস্তান ও ওমান সফর করেছেন এবং পরে তিনি রাশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন, যেখানে তার Vladimir Putin-এর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে নতুন প্রস্তাব আদান–প্রদান হলেও এখনো কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল হওয়ায় শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। এর প্রভাব সরাসরি বৈশ্বিক বাজারেও পড়েছে—জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, ডলার শক্তিশালী হয়েছে এবং শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরান একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, তবে পারমাণবিক কর্মসূচি ইস্যুতে আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার শর্তও এতে রয়েছে। ফলে দুই দেশের অবস্থান এখনো অনেক দূরে রয়ে গেছে।![]()
পাঠকের মন্তব্য