![]()
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে দেশে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি সামনে আসতে পারে, তবে এটি এখনো নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
তিনি ইঙ্গিত দেন যে বৈশ্বিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে—বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর বক্তব্য ও যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ, যেমন ইরান-সম্পর্কিত জাহাজে অবরোধ আরোপ—জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এই অস্থিরতা দীর্ঘ হলে সরকার দীর্ঘসময় ভর্তুকি দিয়ে দাম স্থিতিশীল রাখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
তবে সরকার আপাতত এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর অবস্থানে রয়েছে বলে স্পষ্ট করেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে “সমন্বয়” প্রয়োজন হতে পারে—যদিও তা নিশ্চিত নয়।
সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলায় সরকার ইতোমধ্যে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও মজুদ বাড়িয়েছে বলেও জানান তিনি। তবুও মাঠপর্যায়ে কিছু অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেমন পেট্রল পাম্পে দীর্ঘ লাইন এবং প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কেনার প্রবণতা—যা আতঙ্কজনিত চাহিদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
সব মিলিয়ে, সরকারের অবস্থান এখন “অপেক্ষা ও পর্যবেক্ষণ”—যুদ্ধ পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তার ওপরই নির্ভর করবে জ্বালানি তেলের দামের ভবিষ্যৎ।
পাঠকের মন্তব্য