![]()
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার মাঝে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর ইরান ও ইরাকের রাজধানী বাগদাদে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উল্লাস এবং উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। দুই দেশের এই চুক্তির ফলে বাগদাদে মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছেন।
ইরান সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মার্কিন বাহিনীর পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে ইরাক দীর্ঘ সময় ধরে সরাসরি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক বিশেষ ঘোষণায় দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘ঐতিহাসিক এবং শোচনীয় পরাজয়’ স্বীকার করেছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এই চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের বড় বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছে। তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের শর্ত মেনে শত্রুতা সমাপ্তির পথে সম্মত হয়েছেন।
হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বুধবার (৮ এপ্রিল) গ্রিনিচ সময় রাত ১২টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রণালি না খুললে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে বিধ্বংসী হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টা আগে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে।
ইরানের পক্ষ থেকে বিজয় দাবি করা হলেও ওয়াশিংটন এটি ভিন্নভাবে দেখছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক বিবৃতিতে বলেন, “আসল সত্য হলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমাদের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীই ইরানকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে বাধ্য করেছে। এটিই আমাদের সাফল্য এবং আলোচনা আগামীতে অব্যাহত থাকবে।”
পাঠকের মন্তব্য