
ফোনালাপেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে লক্ষ্য করে ‘ডেকাপিটেশন’ বা শীর্ষ নেতৃত্ব নির্মূলের পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, খামেনি ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা তেহরানের একটি কম্পাউন্ডে গোপন বৈঠকে মিলিত হবেন—এই খবর নিশ্চিত হওয়ার পরই বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সম্ভাব্য সুযোগটি কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই টেলিফোন আলাপ হয়, যেখানে খামেনিকে লক্ষ্য করে এমন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয় বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে আসছেন নেতানিয়াহু। ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় তিনি উল্লেখ করেন, খামেনিকে সরিয়ে দিলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে এবং ইরানের অভ্যন্তরে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি সরাসরি এই ফোনালাপের বিষয়ে মন্তব্য না করলেও জানিয়েছেন, যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি দুর্বল করা এবং দেশটিকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা।
এদিকে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের ফলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়েছে এবং সামরিক সংঘাতের মানবিক প্রভাবও ক্রমশ বাড়ছে।
পাঠকের মন্তব্য