ছয় দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর অবশেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমদ সিয়ামের জ্ঞান ফিরেছে। মাথায় রামদার কোপ লেগে গুরুতর আহত হয়ে গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন সিয়াম। তবে তার অবস্থা এখন স্থিতিশীল এবং তিনি হাত-পা নড়াচড়া করছেন, পরিবারকে চিনতে পারছেন।
অন্যদিকে, একই ঘটনায় আহত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন মিয়ার অবস্থা এখনো স্থিতিশীল। তবে তার মাথার একটি অংশ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, একটি অংশ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুস্থ হতে তার দীর্ঘ সময় লাগবে।
পার্কভিউ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড সিয়ামের চিকিৎসা পর্যালোচনা করেছে এবং পরীক্ষামূলকভাবে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সিয়ামের জ্ঞান ফিরেছে এবং তার ব্লাড প্রেশার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে, তাকে আরও কিছুদিন চিকিৎসাধীন রাখা হবে।
মামুনের বড় ভাই মাসুদ রানা জানিয়েছেন, মামুন কথা বলতে পারছেন এবং তরল খাবার দেওয়া হচ্ছে। তবে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ব্যাপারে এখনও শঙ্কা রয়েছে, এবং চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে তাকে সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে।
এ ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষত, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক উপ-উপাচার্য এবং আরও অনেক শিক্ষার্থী এই সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত হলেও, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্ত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য