![]()
ইবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার মধ্যে নিজেদের পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের প্রস্তুতির কথা জানাল ইরান। দেশটির নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নিলেই প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর কার্যক্রমও চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বাহিনীটি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা সামনে এনেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ও প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি।
শনিবার আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি।
তিনি জানান, ইরানের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব যদি পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ও প্রস্তুতি তৈরি করা হবে। এ ছাড়া দেশের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এ কার্যক্রমে কোনো বিরতি দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।
এদিকে হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চলে সমুদ্রের মাইনে আঘাত পেয়ে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন লাগার খবর জানিয়েছে ইরানের নৌবাহিনী। দেশটির সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
ইরানের নৌবাহিনীর দাবি, একাধিকবার সতর্ক করার পরও ট্যাংকারটি নিষিদ্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ জলসীমায় প্রবেশ করে। ওই সময় জাহাজটির নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ ছিল। পরে সমুদ্রের মাইনে আঘাত লাগলে ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায়। এতে জাহাজটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
তবে ক্ষতিগ্রস্ত ট্যাংকারটির নাম, মালিকানা কিংবা এ ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি ইরানি কর্তৃপক্ষ।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের প্রস্তুতি এবং ট্যাংকারে আগুন লাগার ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তুলে ধরা হয়েছে।
তবে পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের বিষয়ে ইরান এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। এর আগে দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই জানিয়েছিলেন, এ বিষয়ে সরকার কিংবা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ফলে আইআরজিসির সর্বশেষ বক্তব্যে পারমাণবিক নীতি পরিবর্তনের সম্ভাবনা সামনে এলেও বিষয়টি এখনো রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
পাঠকের মন্তব্য