![]()
ইবি রিপোর্ট
টানা দুই বছর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ ঘোষণা না করায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) শেয়ার ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ২০২৪ সালের মে মাসে জারি করা নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের পর বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজারে আইসিবির শেয়ারদর ৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমে ৩২ টাকা ৭০ পয়সায় নেমে আসে।
এদিকে বিএসইসির মার্জিন বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী, আইসিবির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের মার্জিন ঋণ সুবিধা না দিতে স্টকব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সর্বশেষ অর্থবছরেও লভ্যাংশ নেই
এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ না দেওয়ার সুপারিশ করে আইসিবির পরিচালনা পর্ষদ। ৩০ জুন ২০২৬-এ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানটির পরবর্তী বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ সভার জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ নভেম্বর।
লোকসান কমলেও কমেছে নিট সম্পদমূল্য
আইসিবির সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭ টাকা ৫২ পয়সা। আগের অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১৪ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি লোকসানের পরিমাণ কমেছে।
তবে একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) কমেছে। ২০২৬ সালের ৩০ জুন শেষে আইসিবির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ২৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৩৭ টাকা ৪৫ পয়সা।
এ ছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আইসিবির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) কমে ৮ টাকা ৯৬ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। আগের অর্থবছরে এ সূচক ছিল ১০ টাকা ৩১ পয়সা।