![]()
ইবি রিপোর্ট
বাংলাদেশের অবকাঠামো, জ্বালানি ও উৎপাদন খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সম্ভাবনাময় বিভিন্ন প্রকল্প তুলে ধরেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরামের এক অধিবেশনে এসব প্রকল্প ও বিনিয়োগের সুযোগ উপস্থাপন করা হয়। এতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী এবং বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ প্রায় ১০০ জন অংশ নেন।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাডের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ফোরামের অংশ হিসেবে গত সোমবার ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ: সবার চোখের আড়ালে থাকা বিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা’ শীর্ষক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের সেন্টার স্টেজে আয়োজিত এ অধিবেশনে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হয়।
জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের সুযোগ
অধিবেশনে ইনভেস্ট বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্বে থাকা সদস্য নাহিয়ান রহমান রচি বিভিন্ন সম্ভাবনাময় প্রকল্পের বিষয়ে উপস্থাপনা দেন। এর মধ্যে ছিল সরকারি জমিতে বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) অবকাঠামো, প্রস্তাবিত চট্টগ্রাম মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল, বন্দর স্থাপনা এবং মাতারবাড়ী গ্রিন ডকইয়ার্ড।
এসব প্রকল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি ইলেকট্রনিকস, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বস্ত্র এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন খাতের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। এসব খাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরির সুযোগ রয়েছে বলে উপস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ফোরাম চলাকালে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্প ও খাতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
জ্বালানি রূপান্তর নিয়ে মন্ত্রিপর্যায়ের আলোচনা
ফোরামের প্রথম দিন গত রোববার জ্বালানি রূপান্তরের অগ্রাধিকারগুলোকে কীভাবে বিনিয়োগযোগ্য প্রকল্পে রূপ দেওয়া যায়, সে বিষয়ে একটি মন্ত্রিপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট ফোরামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় প্রকল্পগুলো আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারীদের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।