![]()
ইবি রিপোর্ট
উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুকে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পবা-মোহনপুরের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনসহ অন্যরা অ্যাম্বুলেন্সে করে ভূমিমন্ত্রীকে রামেক হাসপাতাল থেকে বিমানবন্দরে নিয়ে যান।
ভূমিমন্ত্রীকে ঢাকায় নেওয়ার বিষয়ে সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন জানান, কয়েক দিন ধরে মিজানুর রহমান মিনুর রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যাওয়ায় তাকে রক্ত দিতে হচ্ছিল। রাজশাহীর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেখানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, যা পিজি হাসপাতাল নামে পরিচিত, তার পরবর্তী চিকিৎসা দেওয়া হবে।
ভূমিমন্ত্রীর এপিএস নাজমুল হক ডিকেন গণমাধ্যমকে জানান, কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ বোধ করছিলেন মিজানুর রহমান মিনু। বুধবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাকে তিন ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এর আগে মঙ্গলবার রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন ভূমিমন্ত্রী। পরদিন বুধবার সকালে রক্তশূন্যতার কারণে অসুস্থ বোধ করলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অসুস্থতার খবর জানিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পোস্টে মিজানুর রহমান মিনু লেখেন, ‘আমি অসুস্থ। আমার সুস্থতার জন্য প্রিয় রাজশাহীবাসীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি। যাতে আল্লাহ তায়ালা আমাকে সুস্থতা দান করেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে যেন জনসেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারি।’
এদিকে ভূমিমন্ত্রীর অসুস্থতার খবর পেয়ে তাকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন, স্বাস্থ্যসচিব এএনএম বজলুর রশীদ, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহসভাপতি নজরুল হুদা, ওয়ালিউল হক রানা এবং রাজশাহী জেলা ড্যাবের সভাপতি ডা. ওয়াসিম হোসেন। এ ছাড়া চিকিৎসক ও বিএনপির নেতারাও তাকে দেখতে হাসপাতালে যান।
ভূমিমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতির পর রাজশাহীর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তার পরবর্তী চিকিৎসা চলবে।
পাঠকের মন্তব্য