![]()
ইবি রিপোর্ট
ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার সময় ব্যবহার করা মোটরসাইকেলটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে আগারগাঁও লিংক রোডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা সেখানে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। অপর ককটেলটি উদ্ধার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে।
ঘটনার পরপরই জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা ঘটনাস্থল থেকে আগারগাঁও হয়ে কাফরুল রোডের দিকে চলে গেছেন বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় দুই মোটরসাইকেল আরোহী সেখানে এসে প্রায় দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেন। এ সময় তারা আশপাশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ককটেল নিক্ষেপে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি এখনো উদ্ধার করা যায়নি। মোটরসাইকেলটি শনাক্ত ও উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে কাজ করছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যরা।
ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই মোটরসাইকেল আরোহীর চলাচলের পথ এবং তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় নিরাপত্তা ও তদন্তের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।
পাঠকের মন্তব্য