![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রায় আড়াই ঘণ্টা ইন্টারনেটের গতি কম ছিল। দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল সি-মি-উই-৫-এর সংযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকার ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটি অংশ ভোগান্তিতে পড়েন।
বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) জানিয়েছে, শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুয়াকাটায় অবস্থিত সি-মি-উই-৫-এর পূর্ব ও পশ্চিম—দুই দিকের সংযোগই সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর দুপুর ২টার দিকে সংযোগ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়।
বিএসসিপিএলসি সূত্রে জানা গেছে, সাবমেরিন কেবলটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার সময় বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সরবরাহ চালু রাখা হয়েছিল। ফলে পুরো দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ হয়ে যায়নি। তবে ব্যান্ডউইথ সরবরাহে সাময়িক সীমাবদ্ধতার কারণে দেশের কিছু এলাকায় ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।
সংযোগ পুনরায় চালু হওয়ার পর ধীরে ধীরে ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। বর্তমানে দেশের ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসসিপিএলসি।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর মাতারায় অবস্থিত এসএমডব্লিউ-৫-এর ল্যান্ডিং স্টেশন অথবা সংশ্লিষ্ট কোনো সরঞ্জামে কারিগরি ত্রুটির কারণে সংযোগে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে ঠিক কোথায় এবং কী কারণে ত্রুটি হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিএসসিপিএলসির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কারিগরি সমস্যার কারণে সাময়িকভাবে সাবমেরিন কেবলটির সংযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে সংযোগ পুরোপুরি সচল রয়েছে এবং ইন্টারনেট সেবায় বড় ধরনের কোনো প্রভাব নেই।
দেশের আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সাবমেরিন কেবল গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে কাজ করে। ফলে এ ধরনের সংযোগে সাময়িক সমস্যাও ইন্টারনেটের গতি ও সেবার মানে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে শনিবারের ঘটনায় বিকল্প ব্যবস্থায় ব্যান্ডউইথ সরবরাহ অব্যাহত থাকায় বড় ধরনের সেবা বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য