![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
টিএসপি সারের সরকারি নির্ধারিত দাম ও কৃষকদের কাছ থেকে নেওয়া প্রকৃত দামের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ‘সিন্ডিকেটের’ বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
বুধবার (১২ আগস্ট) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি বস্তা টিএসপি সার কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লেখেন, ‘টিএসপি সারের সরকারি দাম ১ হাজার ৩৫০ টাকা। কৃষককে কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকায়!’
প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত ৪৫০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দাবি, সরকারি দামের তুলনায় প্রতি বস্তা সারে কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৪৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এই অতিরিক্ত অর্থ কোথায় যাচ্ছে এবং কারা এর সুবিধা পাচ্ছে—এমন প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
একই সঙ্গে টিএসপি সারের দাম নিয়ে কথিত সিন্ডিকেটের সঙ্গে কারা জড়িত, তাদের পরিচয় কী এবং এর পেছনে কারা রয়েছেন—তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই নেতা।
তিনি লেখেন, ‘অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সিন্ডিকেটের কারও নাম নেই, পরিচয় নেই; তারা যেন অদৃশ্য ভূত! কিন্তু এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যের হোতা হিসেবে বারবার ভাইয়ার নামই সামনে আসছে।’
পরে নিজের পোস্টের মন্তব্যের ঘরে তিনি আরও লেখেন, ‘সবার আগে সিন্ডিকেট, সবার আগে ভাইয়া। ভাইয়া সিন্ডিকেট রাজ্যে সবাইকে স্বাগত!’
তবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্টে ব্যবহৃত ‘ভাইয়া’ শব্দটি দিয়ে কাকে বোঝানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
সার নিয়ে অভিযোগের প্রভাব
কৃষকদের উৎপাদন ব্যয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সার। সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হলে তা সরাসরি কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে টিএসপি সারের মূল্য নিয়ে পাটওয়ারীর অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ, কথিত সিন্ডিকেটের পরিচয় এবং অতিরিক্ত অর্থ কারা নিচ্ছে—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য এই তথ্যের সঙ্গে পাওয়া যায়নি।