![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শ্রমশক্তি, পর্যটন, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা সফর শেষে ব্যাংককে যাত্রাবিরতিকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে থাইল্যান্ডের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজাভাত ইসারাভাকদির এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শ্রমশক্তি রপ্তানি, পর্যটন খাতের উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে মতবিনিময় হয়।
এ সময় প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর থাইল্যান্ডে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিষয়টি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে থাইল্যান্ডের অব্যাহত সমর্থন কামনা করেন। জবাবে থাইল্যান্ডের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে তাদের গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন।
এছাড়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে শ্রমবাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।