![]()
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ৯টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী, জনতা, রূপালী, সোনালী, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ৩১ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) ডাটাবেইজে যে তথ্য পাঠিয়েছে, তার ভিত্তিতেই এ হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বিদ্যমান উচ্চ খেলাপি ঋণের হার কমানো অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যেই সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
একই অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গোলাম রছুলের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ৯ লাখ ৫৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ঋণ ১২ লাখ ৪৭ হাজার ১৫১ কোটি টাকা।
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার মোট ৪ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে। এর মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলার ছিল ঋণের মূল অর্থ এবং ১ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ছিল সুদ পরিশোধ।
এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ বছরে আমদানিকৃত পণ্যের বিপরীতে বকেয়া শুল্ক ও করের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বকেয়া ৩ হাজার ৯১২ কোটি টাকার মধ্যে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ৫৯০ কোটি টাকা আদায় করেছে।
পাঠকের মন্তব্য