![]()
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দাবি করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা চুক্তি ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এর পূর্ণাঙ্গ বিবরণ শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত G7 Summit-এ Emmanuel Macron-এর সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি বলেন, “চুক্তি সই হয়ে গেছে, সব চূড়ান্ত হয়েছে।” (Reuters)
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এটি মূলত একটি সংক্ষিপ্ত সমঝোতা স্মারক (MOU), যা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত কমানো, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং ভবিষ্যৎ আলোচনার কাঠামো নির্ধারণের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance জানিয়েছেন, দলিলটি মাত্র দেড় পৃষ্ঠার এবং এটি একটি রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে; গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয় পরবর্তী আলোচনায় নির্ধারিত হবে। (Reuters)
চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz পুনরায় খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রণালিটি আংশিকভাবে খুলে গেছে এবং শুক্রবারের মধ্যে পুরোপুরি সচল হওয়ার কথা। (Reuters)
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চুক্তির অনেক দিক এখনো অস্পষ্ট। বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর ভূমিকা এবং বাস্তবায়ন ও যাচাইয়ের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের ওপর থেকে কোনো নিষেধাজ্ঞা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত্যাহার করা হবে না; বরং চুক্তির শর্ত পালনের ওপর ভবিষ্যৎ সুবিধা নির্ভর করবে। (Reuters)
এদিকে Benjamin Netanyahu স্পষ্ট করে বলেছেন, চুক্তি হোক বা না হোক, ইসরায়েল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেবে না এবং নিজেদের নিরাপত্তা নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনবে না। (Reuters)
বিশ্লেষকদের মতে, এটি এখনো একটি চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি নয়; বরং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য একটি প্রাথমিক কাঠামো। আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এবং তার পরেই পূর্ণাঙ্গ পাঠ প্রকাশ করা হতে পারে। (Reuters)
অর্থাৎ, ট্রাম্প প্রশাসন এটিকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরলেও চুক্তির কার্যকারিতা ও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল নির্ভর করবে আগামী কয়েক সপ্তাহের আলোচনার ওপর। (apnews.com)
পাঠকের মন্তব্য