![]()
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ সারা দেশে তিন মাসব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয় রাজধানীর রবীন্দ্রসরোবরে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সভাপতিত্ব করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকার দেশজুড়ে মাইকিংসহ ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও পানি জমতে না দেওয়াকেই সর্বোত্তম প্রতিরোধ হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সচেতনতার পরও অবহেলা দেখা গেলে কঠোরভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে এবং যেখানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানে আইন অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা হবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিক অংশগ্রহণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সিটি করপোরেশনের জরিপ অনুযায়ী ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৮টিকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে এক সপ্তাহব্যাপী বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম চালানো হবে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগেই সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন এবং সেই অনুযায়ী সিটি করপোরেশন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা, ড্রেন ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা পানি অপসারণ করাই সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ডিএসসিসি প্রশাসক একটি সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন, যেখানে বিভিন্ন সংগঠন ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
পাঠকের মন্তব্য