![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বাংলাদেশের প্রযুক্তি বাজারে শক্তিশালী প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড Huawei। আগামী ৮ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস, স্মার্টফোন এবং স্মার্ট ডিভাইস বাজারে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান প্রিমিয়াম স্মার্টফোন বাজারে নতুন করে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।
স্থানীয় পরিবেশক ডিএক্স মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই নতুন যাত্রায় হুয়াওয়ে বাজারে আনছে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, স্মার্টওয়াচ, ওয়্যারলেস ইয়ারবাড, ফিটনেস ট্র্যাকার এবং বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইস। গ্রাহকদের জন্য থাকবে অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি, আসল যন্ত্রাংশ এবং বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের প্রয়োজনীয় অনুমোদনসহ সব ধরনের নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে হুয়াওয়ের অফিশিয়াল স্মার্টফোন ব্যবসা পুনরায় চালু হতে আর কোনো বাধা নেই।
প্রাথমিক পর্যায়ে বাজারে আসছে হুয়াওয়ের বহুল আলোচিত ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলোর মধ্যে মেট ৮০ প্রো, মেট এক্স৭ ফোল্ডেবল স্মার্টফোন এবং নোভা ১৫ ম্যাক্স। পাশাপাশি মেটপ্যাড ১১.৫ ট্যাবলেট, ওয়াচ ফিট ৫ সিরিজ, ফ্রিবাডস ওয়্যারলেস ইয়ারবাড এবং ফ্রিক্লিপ ওপেন-ইয়ার অডিও ডিভাইসও বাজারজাত করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণদের মধ্যে উন্নত ক্যামেরা প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ফিচার এবং প্রোডাক্টিভিটি-কেন্দ্রিক স্মার্ট ডিভাইসের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। হুয়াওয়ের নতুন প্রোডাক্ট লাইনআপ সেই চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
২০১৯ সালে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে গুগল মোবাইল সার্ভিসেস ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা তৈরি হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে হুয়াওয়ের স্মার্টফোন ব্যবসা বড় ধাক্কা খায়। পরবর্তীতে বাংলাদেশেও প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল স্মার্টফোন কার্যক্রম ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। তবে কয়েক বছর পর নতুন কৌশল এবং নিজস্ব সফটওয়্যার ইকোসিস্টেম নিয়ে আবারও বাজারে ফিরছে প্রযুক্তি জায়ান্টটি।
পাঠকের মন্তব্য