![]()
ঈদুল আজহার ঘরমুখী যাত্রায় ট্রেনই এখন অনেকের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে। তবে সেই যাত্রাই আবার ভোগান্তিতে রূপ নিয়েছে গাদাগাদি ভিড়, ট্রেনের ছাদে ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ এবং শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে। বুধবার (২৭ মে) ঈদের বিশেষ ট্রেনসহ মোট ৬৭টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও যাত্রীচাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষকে।
সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায় ঘরমুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। অনেকে পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের তাড়ায় সময়ের অনেক আগেই স্টেশনে এসে অপেক্ষা করতে থাকেন। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা কমে আসে ভিড়। তবুও ট্রেন ধরতে গিয়ে যাত্রীদের মধ্যে দেখা যায় ঠেলাঠেলি ও চরম প্রতিযোগিতা।
অনেকে টিকিট নিশ্চিত করতে না পেরে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভিড়ে ট্রেনে উঠছেন, কেউ কেউ আবার ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করছেন। এতে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
হঠাৎ বৃষ্টি ও সময়মতো ট্রেন না ছাড়ার কারণে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। গরম, ভিড় ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও মানুষকে নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তারা বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। শেষ দিনে স্টেশন পরিদর্শনে আসেন রেলওয়ের মহাপরিচালকও। তিনি বলেন, যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
পাঠকের মন্তব্য