![]()
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে শান্তি আলোচনা একটি সম্ভাব্য চুক্তির দিকে এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। Donald Trump-এর সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনার ধীরগতির অন্যতম কারণ হলো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি-এর গোপন অবস্থান এবং সীমিত যোগাযোগ ব্যবস্থা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা, তিনি এমন একটি নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছেন, যেখানে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ অত্যন্ত সীমিত।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার কাছে বার্তা পৌঁছাতে জটিল বার্তাবাহক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব তার কাছে পৌঁছাতে এবং সেখান থেকে উত্তর আসতে দীর্ঘ সময় লাগছে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, বর্তমান খসড়া চুক্তির মূল কাঠামোর বিষয়ে সর্বোচ্চ নেতা সম্মতি দিয়েছেন। এরপরই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিগগিরই চূড়ান্ত চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে বলে মন্তব্য করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর ইরানের অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আত্মগোপনে রয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে তারা কঠোর নজরদারির মধ্যে অবস্থান করছেন এবং সীমিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন।
আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো Hormuz Strait পুনরায় খুলে দেওয়া। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি সংঘাতের পর থেকে বন্ধ রয়েছে।
এ ছাড়া পারমাণবিক কর্মসূচি, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া হবে না। অন্যদিকে ইরান দাবি করছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
পাঠকের মন্তব্য