![]()
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে একটি কার্যকর চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হলে বিকল্প পথে সমঝোতা খোঁজা হতে পারে।
নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দেবে, তবে সমাধান না হলে অন্য পথও বিবেচনায় থাকবে। আলোচনার টেবিলে বর্তমানে একটি শক্ত প্রস্তাব রয়েছে, যার মধ্যে Hormuz Strait খুলে দেওয়া এবং পারমাণবিক ইস্যুতে বাস্তবসম্মত সমাধান খোঁজার বিষয় আছে।
Donald Trump আগেই জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তির ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সমঝোতার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা সম্ভব হতে পারে।
এই সম্ভাবনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ছয় শতাংশ কমে দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বিশেষ করে Brent Crude সহ আন্তর্জাতিক তেলের দামে বড় পতন দেখা গেছে।
তবে আলোচনায় এখনো বড় মতপার্থক্য রয়ে গেছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা তেল রাজস্ব ছাড়ের মতো বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়নি।
ইরান জানিয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি চালাতে চায়, তবে পশ্চিমা দেশগুলোর অভিযোগ হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চাইছে দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হোক এবং পারমাণবিক বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সমাধান আসুক।
বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তি হলে স্বল্পমেয়াদে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্বস্তি আসবে, তবে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা পেতে সময় লাগবে। কারণ সরবরাহ ব্যবস্থা, নিষেধাজ্ঞা কাঠামো এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত।
পাঠকের মন্তব্য