![]()
তারেক রহমান বলেছেন, পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই বর্তমানে সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।
পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল থেকে চার দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহের কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র গঠারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তবে জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বস্তির অনুভূতি নিশ্চিত না হলে সেই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।
তারেক রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ-এর বিকল্প নেই। জনগণের সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারলে পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও সহজ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণ এখন গুম, অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি সমাজ চায়—যেখানে অবিচার, নির্যাতন বা নিপীড়নের ভয় থাকবে না। এমন পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, উপযোগী পরিবেশে পুলিশ দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন-এ বাংলাদেশ পুলিশের অবদানের কথাও তুলে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক বাস্তবতায় পুলিশের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি। তিনি মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং ও মাদক বিস্তার রোধে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বর্তমান ও সাবেক সব পুলিশ সদস্যকে শুভেচ্ছা জানান এবং পুলিশ সপ্তাহকে জনগণের “বিশ্বস্ত বাহিনী” হয়ে ওঠার অঙ্গীকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন।
পাঠকের মন্তব্য