![]()
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এবং তাদের মধ্য থেকেই দেশের নেতৃত্ব তৈরি হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান। শনিবার বিকেলে সিলেট স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তোমরা যারা গ্যালারিতে বসে আছো, তোমরা প্রত্যেকে বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হবে। দেশের দায়িত্ব তোমাদেরই নিতে হবে, কারণ তোমরাই দেশের ভবিষ্যৎ।” তিনি আরও বলেন, এখন শিক্ষার্থীদের মূল কাজ হলো পড়াশোনা করা, খেলাধুলা করা এবং নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তোলা।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যে খেলোয়াড় হতে চায় সে খেলোয়াড় হবে, যে গান শিখতে চায় সে গান শিখবে, যে মিউজিশিয়ান হতে চায় সে মিউজিশিয়ান হবে। সেই সুযোগ আমরা তৈরি করবো ইনশাল্লাহ।” তিনি জানান, আগামীর বাংলাদেশ পুরোপুরি নতুন প্রজন্মের ওপর নির্ভর করছে এবং তাদের সুন্দরভাবে গড়ে উঠলেই দেশ শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।
সিলেটসহ দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে ‘আমরা নতুন, আমরা কুঁড়ি’ শীর্ষক থিম সং ও একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। বিকেএসপির শিক্ষার্থীরা ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, সাঁতার, দাবা, ব্যাডমিন্টন, অ্যাথলেটিক্স ও মার্শাল আর্টসহ আটটি ইভেন্টে আকর্ষণীয় ক্রীড়া প্রদর্শনী পরিবেশন করে। প্রধানমন্ত্রী করতালির মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করেন।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ধারণা কীভাবে এসেছে সে বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, প্রায় সাড়ে চার বছর আগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে লন্ডনে আলোচনার সময় এই কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়। তাদের লক্ষ্য ছিল দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান ক্ষুদে খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করা এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ হিসেবে গড়ে তোলা।
বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ট্রফি ও লোগো উন্মোচন করেন এবং মাঠে নেমে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
পাঠকের মন্তব্য