![]()
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন বাজেটে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী আয়কর ও ভ্যাটে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া কঠিন হতে পারে। তবে তিনি বলেছেন, ব্যবসা পরিচালনায় যেসব প্রশাসনিক ও নীতিগত বাধা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে বেসরকারি খাত সহজে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআই আয়োজিত প্রাক-বাজেট পরামর্শ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বেসরকারি খাতই মূল চালিকাশক্তি, তাই তাদের সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের চার্জ বৃদ্ধি এবং ব্যবসা পরিচালনার বিভিন্ন জটিলতা দূর করা হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ব্যবসায়ীরা তাদের সমস্যা জানালে তা সমাধানের আশ্বাসও দেন তিনি। একইসঙ্গে বন্দরে দুর্নীতি ও ব্যবসা সহজীকরণে বাধা দূর করার প্রতিশ্রুতিও দেন।
তিনি জানান, অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে সময় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং দুই বছরের একটি সাময়িক সহায়তা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে তৈরি পোশাক খাত ভালো করলেও অন্যান্য খাত কেন পিছিয়ে আছে তা পর্যালোচনা করা হবে এবং সেগুলোতেও প্রয়োজনীয় সুবিধা দেওয়া হবে। পাশাপাশি বড় প্রকল্পের পরিবর্তে কার্যকর ও গুণগত অবকাঠামো বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
এদিকে ব্যবসায়ীরা ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো, করহার যৌক্তিকীকরণসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দেন। সভায় এনবিআর চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পাঠকের মন্তব্য