![]()
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে এবং তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। Strait of Hormuz দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে, যা বৈশ্বিক বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। সাম্প্রতিক লেনদেনে Brent Crude Oil-এর দাম ব্যারেলপ্রতি বেড়ে ১০৭ ডলার ৩৫ সেন্টে দাঁড়িয়েছে, যা যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় প্রায় ৪৭ শতাংশ বেশি।
এই সংকটের পেছনে মূল কারণ হলো ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে দ্বিতীয় দফা আলোচনার ভেস্তে যাওয়া। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। তথ্য অনুযায়ী, যেখানে আগে প্রতিদিন গড়ে ১২৯টি বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করত, সেখানে এখন সেই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ১৯টিতে।
তবে আশ্চর্যজনকভাবে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলো এ পরিস্থিতিকে আপাতত উপেক্ষা করেছে। Nikkei 225 এবং KOSPI প্রাথমিক লেনদেনে যথাক্রমে প্রায় ০.৯ ও ১.৫ শতাংশ বেড়েছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি আস্থার ইঙ্গিত দেয়।
সামগ্রিকভাবে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক অচলাবস্থা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা শুধু জ্বালানি বাজার নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
পাঠকের মন্তব্য