![]()
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ঘিরে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একদিকে Donald Trump প্রশাসন বলছে, যুদ্ধবিরতি কতদিন চলবে সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি; অন্যদিকে ইসরাইলি গণমাধ্যমের দাবি, আগামী রোববারের মধ্যেই এই সময়সীমা শেষ হতে পারে। হোয়াইট হাউজের বক্তব্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য দ্রুত যুদ্ধ শেষ করা নয়, বরং একটি ‘ভালো চুক্তি’ নিশ্চিত করা।
এদিকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার কারণে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, নৌ অবরোধের অংশ হিসেবে ৩১টি জাহাজকে পথ পরিবর্তন বা ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে এবং এশিয়ার বিভিন্ন জলসীমা থেকে ইরানের অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার আটকে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, এই অভিযানে বিপুলসংখ্যক সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও বিমান মোতায়েন রয়েছে।
অন্যদিকে ইরান অভিযোগ করছে, তাদের বন্দর অবরোধ করে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, এই অবরোধ চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এই টানাপোড়েনের প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও। জাহাজ জব্দ ও নৌ চলাচলে বাধার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও বেড়ে শত ডলার ছাড়িয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।
পাঠকের মন্তব্য