![]()
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনা এগিয়ে নিতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়াতে চান। তবে এ প্রস্তাবে ইরান বা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরায়েল সম্মত হবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর হামলা স্থগিত রাখবে—যতক্ষণ না তেহরানের পক্ষ থেকে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব আসে এবং আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়।
তবে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশের পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্যের ওপর মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ অব্যাহত থাকবে। এই পদক্ষেপকে কার্যত যুদ্ধের সমতুল্য হিসেবে দেখছে তেহরান।
এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। তবে দেশটির ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর কোনো অনুরোধ করেনি এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে অবরোধ ভাঙার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের কলিবাফ-এর একজন উপদেষ্টা ট্রাম্পের ঘোষণাকে গুরুত্বহীন বলে মন্তব্য করেছেন এবং এটিকে কৌশলগত পদক্ষেপ হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
যুদ্ধ চলাকালে ট্রাম্পের অবস্থানে ওঠানামা দেখা গেছে—কখনো কঠোর হুমকি, আবার কখনো উত্তেজনা কমানোর আহ্বান। সর্বশেষ ঘোষণার মাধ্যমে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে সম্ভাব্য হামলার হুমকি থেকেও সরে এসেছেন।
এদিকে, জাতিসংঘ-এর মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসসহ আন্তর্জাতিক মহল বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকাকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের পরিপন্থী বলে সমালোচনা করেছে।